Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তিতে আমাদের কিছু জানানো হয়নি: জামায়াত আমির

Published May 15, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Jennifer Anderson - banglabeacon.com

Foto : Jennifer Anderson - banglabeacon.com

জামায়াত আমির বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তিতে আমাদের কিছু জানানো হয়নি

Banglabeacon.com – য ক তর ষ ট র র - সংসদে বিরোধী দলের নেতা ডা. শফিকুর রহমান জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে তাঁদের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি। তিনি জানান, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তাঁদের প্রতিনিধির সাথে এ ব্যাপারে কোন শব্দ উচ্চারণ করেনি। শুক্রবার (১৫ মে) সন্ধ্যা ৬টায় রংপুর শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে সুধী সমাবেশে তিনি সাংবাদিকদের সাথে আলোচনার সময় এ কথা উল্লেখ করেন।

তিনি তবে চুক্তি বাতিল করার প্রশ্নে কোনো মন্তব্য করেননি। তাঁর দাবি, ‘আমি দায়িত্ব নিয়ে বলছি, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আমাদের সঙ্গে কোন একজন মানুষও কোন শব্দ উচ্চারণ করেনি। এটা আমাদের পজিশন।’ তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির বিষয়ে জামায়াত সম্পূর্ণ বাইরে ছিল।

‘শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, সারা দুনিয়ায় যেখানে এ ধরনের অপকর্ম হবে, আমরা তার নিন্দা জানাই। শুধু ধর্মীয় পরিচয়ে আঘাত করার অধিকার এই দুনিয়া কাউকে দেয় না। কোন দেশের সংবিধানও না।’

পদ্মা ব্যারেজ চুক্তি সমর্থন করলেও ডা. শফিকুর রহমান তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন জরুরি বলে মনে করেন। তিনি জানান, ‘পদ্মা ব্যারেজ করবেন ঠিক আছে, তাই বলে তা তিস্তার বিনিময়ে নয়। অবশ্যই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে। এ নিয়ে আমাদের স্পষ্ট অবস্থান রয়েছে। এর ভিন্ন কিছু আমরা চাই না।’

নির্বাচনে পরাজয়ের অভিযোগ

তিনি বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাঁদের পরিকল্পিতভাবে পরাজিত করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘জনগণ বলছে, ভোট দিলাম একদলকে, সরকার গঠন করলো আরেক দল। এটা শুনলে অনেকে মন খারাপ করে।’

‘উনি বলেছিলেন, একটি দল ১৬৮টি আসন পেতে যাচ্ছিলো, আমরা ৬৮টি এসে নামিয়ে আনছি। সেই ৬৮টি সিট পাওয়া দল তো আমরা জামায়াতে ইসলামী।’

আবারও অভিযোগ তুলে ধরেন তিনি, অন্তর্বর্তী সরকারের সবাই মিলে এ কাজ করেছে। তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘নির্বাচনের আগে ড. ইউনূস লন্ডনে গিয়ে ক্যাপ্টেনের হাতে ট্রফি তুলে দিয়ে এসেছিলেন। নির্বাচনের আগে যদি ক্যাপ্টেনই সিলেক্ট হয়ে যায়, তাহলে নির্বাচনের দরকার কী ছিলো?’

তিনি স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সুষ্ঠুতা ও নিরপেক্ষতা না হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচনের পর বগুড়া ও শেরপুরে দুটি উপ-নির্বাচনে কাণ্ডকারখানা দেখা গেল। সেখানে আদৌ সুষ্ঠু নির্বাচন হবে কি না, আশঙ্কা করাই যায়।’

রংপুর মহানগর জামায়াতের আমির এটিএম আযম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সুধী সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন রংপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতের নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম, রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহবুবার রহমান বেলালসহ বিশিষ্ট নাগরিকরা।

তবে সাংবাদিকদের প্রবেশ করতে না দেওয়া হলেও সম্মেলন ফেসবুকে লাইভ করা হয় বলে জানা গেছে। জামায়াত মহানগর নেতা অ্যাডভোকেট কাওছার বলেন, ‘ওই সভায় সাংবাদিকদের অ্যাক্সেস নেই।’