Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

মানব পাচার: ভুক্তভোগীর সুরক্ষায় নতুন মাত্রা

Published May 15, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Susan Brown - banglabeacon.com

Foto : Susan Brown - banglabeacon.com

মানব পাচারের বিরুদ্ধে নতুন সংহতি

Banglabeacon.com – ম নব প চ র - বাংলাদেশে মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য রাজধানীতে একটি দিন ব্যাপী আলোচনা পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সিরডাপ মিলনায়তনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে এবং ‘জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার’ সংগঠনের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয় নতুন আইন বিষয়ক আলোচনা প্রবেশ পর্ব। দেশের শীর্ষ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ করা হয়।

আইনের নতুন মূল্যায়ন

রাজধানীতে অনুষ্ঠিত প্রবন্ধ সভায় বলা হয় যে মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধে কঠোর আইন ছাড়াও সাধারণ মানুষের সচেতনতার অপর বড় গুরুত্ব আছে। সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী জানান যে জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য সংবাদ সমাজের ভূমিকা অপরিহার্য।

‘মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধে কেবল কঠোর আইনই যথেষ্ট নয়। জনসচেতনতা সৃষ্টিতে গণমাধ্যমকর্মীদের বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করতে হবে।’

আইনের প্রতিষ্ঠা ও মূল প্রবন্ধ

২০২৬ সালে জাতিসংঘের কনভেনশনের আলোকে প্রণীত হয়েছে ‘মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন’। আইনে মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালানকে আলাদা অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। প্রথমবারের মতো সব সংশ্লিষ্ট বিধান একটি আইনে একত্রিত করা হয়েছে।

নতুন আইনে অপরাধের প্রকৃতি অনুযায়ী শাস্তির বিধানে বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। পাচারকারী যদি সম্পত্তি ব্যবহার করে বা নথি গোপন করে সহায়তা করে, তবে তার জন্য ৩ থেকে ৭ বছর কারাদণ্ড এবং সর্বনিম্ন ৩০ হাজার টাকা জরিমানা নির্ধারণ করা হয়েছে।

যৌন শোষণের উদ্দেশ্যে কাউকে আমদানি বা স্থানান্তর করলে ৩ থেকে ১০ বছর কারাদণ্ড এবং সর্বনিম্ন ৫০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। অনলাইনে চাকরির ভুয়া বিজ্ঞাপন বা অভিবাসনের নামে প্রতারণা করলেও সেই পরিসরে কারাদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন প্রক্রিয়া ও সুরক্ষা বিধান

তদন্তকারী কর্মকর্তাদের এখন পাচারকারীদের ব্যাংক হিসাব জব্দ ও আয়-সম্পদ যাচাইয়ে ২০১২ সালের মানি লন্ডারিং আইনের ক্ষমতা প্রয়োগ করা যাবে। মানব পাচার ট্রাইব্যুনাল এখন আঘাত, মাদক পাচার বা যৌন সহিংসতা সংক্রান্ত অপরাধের বিচারও একই স্থানে করা হবে।

নতুন আইনে ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের সুরক্ষার জন্য বিশেষ বিধান নেওয়া হয়েছে। যদি কেউ অবৈধ কাজ (যেমন জাল পাসপোর্ট বহন বা অনুপ্রবেশ) করে ফেলে, তবে তাকে আসামি হিসেব