Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

মাটির তলে বাংলার আড়াই হাজার বছরের ইতিহাস

Published May 15, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Jennifer Anderson - banglabeacon.com

Foto : Jennifer Anderson - banglabeacon.com

মাটির তলে বাংলার আড়াই হাজার বছরের ইতিহাস

Banglabeacon.com – ম ট র তল ব ল র - আমাদের পায়ের নিচের মাটি কেবল কাদামাটি নয়, সেখানে চাপা পড়ে আছে বাংলার হাজার বছরের সভ্যতার গল্প। বগুড়াতে অবস্থিত মহাস্থানগড়, নেত্রকোনায় অবস্থিত রোহিতাশ গড় এবং সোনারগাঁয়ে অবস্থিত পানাম নগর এগুলো স্থান হিসেবে বিশেষ প্রাচীন ঐতিহ্য নিয়ে পরিচিত। অবহেলা ও সময়ের স্রোতে হারিয়ে যাওয়া দুর্গগুলোর মাটির নিচে এখনও অসংখ্য রহস্য অপরিচিত থাকা হারিয়েছে।

প্রাচীন মহাস্থানগড়ের রহস্য খুঁজে পেতে এখনও চাপা পড়ে আছে বহু রহস্য

মহাস্থানগড় শুধু একটি প্রত্নস্থল নয়, এটি ছিল প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধনের রাজধানী। খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০ অব্দে এখানে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল একটি পরিকল্পিত নগরী যার বয়স প্রায় আড়াই হাজার বছর। অসাধারণ নিদর্শন পাওয়া গেছে এখানে ২০০৮ থেকে ২০১২ সালে খনন চালিয়ে।

বহুতল ভবনের ধ্বংসাবশেষ, প্রাসাদচত্বর এবং সুপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা মহাস্থানগড়ে অবিস্মরণীয় আবিষ্কার হিসেবে চিহ্নিত। কিন্তু সবচেয়ে চমকপ্রদ আবিষ্কার হলো ইটের তৈরি বিশাল 'মন্দির' ও 'স্তূপ' যা বৌদ্ধ ও হিন্দু ধর্মের প্রভাব প্রমাণ করে।

কোনোদিন ইতিহাসের পাতায় সোনার অক্ষরে লেখা ছিল এই জনপদের নাম। আজ হারিয়ে যাওয়া সেই দুর্গ আমাদের মনে করিয়ে দেয়-সময় যতই এগোয়, ইতিহাস যেন আমরা কখনো ভুলে না যাই।

বাংলার হারিয়ে যাওয়া সভ্যতার গল্প

সর্বশেষ খননে মহাস্থানগড়ের মাটির নিচে মিলেছে এক ঝুড়ি রূপোর মুদ্রা যা গুপ্তযুগের স্বাক্ষর বহন করে। এছাড়াও মিলেছে রোমান সাম্রাজ্যের অ্যাম্ফোরা ও লাল রঙের মৃৎপাত্র। বিশেষজ্ঞদের মতে, এগুলো প্রমাণ করে বাংলার ব্যবসায়ীরা রোমান বণিকদের সঙ্গে সরাসরি বাণিজ্য করতেন।

বাংলাদেশের এসব দুর্গ ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের অস্থায়ী তালিকায় স্থান পেয়েছে। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এখন মহাস্থানগড় ও পানাম নগর পুনরুদ্ধারে হাতে নিয়েছে। এর জন্য প্রায় ২০০ কোটি টাকার প্রকল্প নেওয়া �