Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

মধুপুরে দুই শিশুকে যৌন নিপীড়নচেষ্টা, গ্রেপ্তার ১

Published June 7, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Michael Brown - banglabeacon.com

Foto : Michael Brown - banglabeacon.com

মধুপুরে দুই শিশুকে যৌন আক্রমণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১

Banglabeacon.com – মধ প র দ ই শ শ - মধুপুরে দুই শিশুকে যৌন আক্রমণের অভিযোগ উঠতে পুলিশ একজন মোয়াজ্জিনকে আটক করেছে। ঘটনাটি টাঙ্গাইলের মধুপুর এলাকায় ঘটেছে, যেখানে ছয় ও সাত বছর বয়সী দুই শিশুকে অপরাধের চেষ্টা করা হয়েছিল। এ বিষয়ে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং অভিযুক্তকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পরদিন শনিবার (৬ জুন) দুপুরে অভিযুক্তকে টাঙ্গাইল আদালতে পাঠানো হয়। এই ঘটনার কারণে মধুপুরে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ

পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের খবর অনুসারে, গতকাল শুক্রবার দুপুরে শিশুদের মা-বাবা জুমার নামাজের জন্য মসজিদে পাঠান। কিন্তু তারা মসজিদে যেতে অনীহা প্রকাশ করে এবং কান্নাকাটি শুরু করে। শিশুরা জানিয়েছে যে, মসজিদে গেলে হুজুর তাদের দোতলার ঘরে ডেকে নিয়ে যেতেন। সেখানে মোয়াজ্জিন তাদের প্যান্ট খুলে অপকর্মের চেষ্টা করতেন। এ খবর পেয়ে মধুপুর থানায় নিয়ে আটক করা হয় অভিযুক্তকে।

স্থানীয় বাসিন্দার আক্রমণ

“মসজিদের পাশে শিশুদের বাসা ছিল। মোয়াজ্জিন মাঝে মাঝে তাদের তার ঘরে ডেকে নিয়ে যেতেন। সেখানে বলৎকারের চেষ্টা করতেন বলে শিশুরা জানিয়েছে। এখন তারা আর মসজিদে যেতে চায় না। আমরা দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই,” বলেন মধুপুরের স্থানীয় বাসিন্দা সীমা আক্তার। ঘটনাটি মধুপুর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে এবং স্থানীয়দের অভিযোগ আছে যে মোয়াজ্জিন দীর্ঘদিন ধরে শিশুদের অপরাধের চেষ্টা করেছেন। মধুপুর থানার সদস্যরা তদন্ত চালাচ্ছেন এবং কর্মকর্তাদের সাথে সমন্বয় করা হচ্ছে।

মধুপুর থানার সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত হাফেজ আবু রাশেদ (৩৫) মধুপুরের আউশনারা ইউনিয়নের মোটের বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে কর্মরত ছিলেন। তিনি ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার বইলাজান গ্রামে আবুল কাশেমের ছেলে। ঘটনার সময় শিশুদের মা-বাবার নামাজ দিতে হুজুর কর্মরত ছিলেন, কিন্তু তিনি শিশুদের ঘরে নিয়ে গেলে যৌন আক্রমণের চেষ্টা করেন। মধুপুর থানার পুলিশ বাহিনী তদন্ত শুরু করে এবং আটক করেন অভিযুক্তকে।

আইনি প্রক্রিয়া ও সমাধানের প্রস্তাব

গতকাল সন্ধ্যায় মোটের বাজার বণিক সমিতিতে এ বিষয়ে সালিস বৈঠক বসে স্থানীয়রা উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর আগে থানায় মামলা হয়েছে। মধুপুরে বিষয়টি সম্পূর্ণ সার্বিক আলোচনার পর কার্যকারী বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। অভিযুক্তকে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে সামুদ্রিক দাবি করা হয়েছে।

মধুপুর এলাকার মানুষদের মতে, সম্প্রতি বিশেষ করে শিশুদের জন্য সুরক্ষা ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। তারা আরো কর্মকর্তাদের সাথে সমালোচনা করছেন এবং মসজিদে সম্পূর্ণ সম্প্রদায়ের আলোচনা করার