Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

‘বড় ভাইদের’ চাঁদা না দিলে চলে না পশুবাহী ট্রাক

Published May 25, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Jennifer Anderson - banglabeacon.com

Foto : Jennifer Anderson - banglabeacon.com

ঈদের উৎসবে পশুবাহী ট্রাকচালকদের বেড়ানো চাঁদাবাজি

Banglabeacon.com – বড় ভ ইদ র চ দ ন - ঈদ পর্বে খামারি থেকে হাটুরেদের মধ্যে উৎসবের ছাপ ফুটে ওঠে। তবে মহাসড়ক পার হতে হলে ট্রাকচালকদের অপেক্ষা করতে হয় প্রতিদিন অনেক টাকা চাঁদা দিতে। রাজশাহীর সিটি হাট থেকে প্রতিদিন শত শত পশু চট্টগ্রাম ও ঢাকার উদ্দেশ্যে যাচ্ছে। কিন্তু এ যাত্রায় তাঁদের গুনতে হয় অবৈধ চাঁদা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ট্রাকচালকদের মুখে শোনা গেল যে সিটি হাটে বের হওয়ার পরপরই বেলপুকুর এলাকায় পুলিশ ও রাজনৈতিক পরিচয়ধারীদের হাজির হতে হয়। ট্রাক মালিকদের মতে, রাজশাহী থেকে ঢাকার প্রতি ট্রাকের ভাড়া প্রায় ৪০ হাজার টাকা। কিন্তু পথে পথে হাজার হাজার টাকা চাঁদা দিতে গিয়ে আয়ের বড় অংশ কেটে যাচ্ছে।

হাট থেকে বের হওয়ার পর ট্রাকের ভাড়া বেড়ে গেছে

সিটি হাট থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চলে যাচ্ছে পশুবাহী ট্রাক প্রতিদিন রাতভর ৪৫০ থেকে ৫০০টি। পরিবহন হাট কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী সেই ট্রাকগুলি সাধারণত ঢাকা ও চট্টগ্রামে পৌঁছায়। কিন্তু সেই যাত্রা অনেকটা বিঘ্নিত হয়ে আসছে।

উত্তরবঙ্গে অনেক স্থানে পশুবাহী ট্রাক চালকদের চাঁদা দিতে বাধ্য করা হয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক চালক জানান যে সিটি হাটে যাওয়ার পরপরই বেলপুকুর এলাকায় পুলিশ ও রাজনৈতিক সংগঠনের জন্য টাকা দিতে হয়। পরবর্তী মোড়গুলিতে পুঠিয়া, নাটোরের বনপাড়া, সিরাজগঞ্জের যমুনা সেতুর প্রান্তে দুর্বল পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে।

“চালকেরা মহাসড়কে চাঁদাবাজির যে করুণ চিত্র তুলে ধরছেন, সেটিই বাস্তবতা। পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও চাঁদাবাজি এখনো পুরোপুরি বন্ধ হয়নি।”

রাজশাহী ট্রাক মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক সাদরুল ইসলাম বলেন যে পশুবাহী ট্রাকচালকদের সমস্যার কারণে ব্যবসা টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। ট্রাকের ভাড়া বেড়ে গেছে জ্বালানি খরচ ও শ্রমিকের মজুরির পর। কোথাও তুচ্ছ অজুহাতে মামলা দেওয়া হয় তাঁদের দ্বারা।

হাইওয়ে পুলিশের উত্তর বিভাগের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) আবদুল্লাহ হিল বলেন যে পশুবাহী যানবাহনের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে মহাসড়কে বিশেষ নজরদারি রয়েছে। চাঁদাবাজির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।