Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

বোমার শব্দে চাপা ইরান-গাজা-সিরিয়ায় ঈদ

Published May 28, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Susan Brown - banglabeacon.com

Foto : Susan Brown - banglabeacon.com

ঈদের ফজরের আজান যেখানে বোমার শব্দ আবরণ করে, সেখানে 'ঈদ মোবারক' বলার আগে মুখ ফুটে ওঠে 'বাঁচতে দাও'

Banglabeacon.com – ব ম র শব দ চ প - যুদ্ধবিধ্বস্ত মধ্যপ্রাচ্যের পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে শুধু আনন্দ নয়, বেঁচে থাকার জন্য এক কঠিন যুদ্ধের সূচনা হয়েছে। গাজার ধ্বংসস্তূপ, ইয়েমেনের অবরুদ্ধ শহর, ইরানের নিষেধাজ্ঞা-পীড়িত বাজার আর লেবাননের সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে এক বিষণ্ণ সুর বাজছে।

যুদ্ধের মাঝে মানুষ আত্মত্যাগের শিক্ষা গ্রহণ করে কোরবানি দেয়। ইতিহাসবেত্তারা জানান যে, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এই আচরণ সংঘাত প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ। আরব উপদ্বীপের দরিদ্র দেশ ইয়েমেনে বিপর্যয় ও অবরোধ দীর্ঘদিনের। এ বছর সেখানে একটি বড় উদ্যোগ শুরু হয়েছে যেখানে সাড়ে ৪১ টন কোরবানির মাংস ৪১ হাজার গরিব পরিবারের মধ্যে বিতরণ করা হবে।

মধ্যপ্রাচ্যের এক কোন দেশে কোরবানির মাংস সাধারণ মানুষের জনগনের পানির চেয়েও দুষ্প্রাপ্য। ইরানে মুদ্রাস্ফীতি প্রকোপে এক কেজি গরুর মাংসের দাম এতটাই বেড়েছে যে সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে হয়ে গেছে। সরকার ভর্তুকি দিয়ে মাংস বিক্রির চেষ্টা করছেন- প্রতি কেজি সাড়ে ৭ মিলিয়ান রিয়াল (প্রায় ৪ ডলার ৩০ সেন্ট) দাম নির্ধারণ করেছে।

গাজার একটি স্বাধীন পরিবার আবু মোহাম্মদ সাঈদাম যুদ্ধের আগে পশুর হাটে যেত। ছাগল নির্বাচন করত তাদের পছন্দের বাবা-মা। হেসে-খেলেই কাটতো দিন। আজ সেই সবুজ মাঠ নেই, নেই পশুর হাট। ইসরায়েলি অবরোধ আর টানা যুদ্ধে ধ্বংস হয়ে গেছে খামার, পশুখাদ্যের গুদাম এমনকি কসাইখানাও।

যুদ্ধ ও নিষেধাজ্ঞার কারণে গাজায় একটি ছাগলের দাম চার হাজার ডলার! সংঘাতে বিধ্বস্ত এই ভূখণ্ডে খাবার পানির চেয়েও দুষ্প্রাপ্য হয়ে উঠেছে লাল মাংস। তবে অনেকটা না পেলেও স্বস্তির খবর আছে- যুদ্ধবিরতি থাকায় এবার কিছু স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা গাজায় কোরবানির মাংস পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে।

নাসরিন আবদুল আল তিনবার বলছেন, 'পরিবারগুলো আর জড়ো হয় না, শিশুরা আর ঈদের আমেজ চিনতেই পারে না'।

লেবাননের সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে ঈদ মানে ফিরে আসার উৎসব। কিন্তু এবার সেই গ্রামগুলো জনশূন্য। ইসরায়েলের হামলায় ধ্বংস হওয়া আরকুব অঞ্চলের বাসিন্দারা ঘরে ফিরতে পারছেন না। স্কুলগুলো এখন শরণার্থী শিবির।

৮৩ বছর বয়সী রাসমিয়া জোগবি এখনো নিজের বাড়িতে টিকিয়ে রেখেছেন ঈদের কুকিজ বানানোর প্রথা। কিন্তু বাড়ির উঠোন ফাঁকা। সন্তান-সন্ততি আজ শুধু ফোনের ওপাশে। মা�