Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

বিচ্ছেদ আলোচনার আগের দিন গৃহবধূর রহসজনক মৃত্যু

Published June 4, 2026 · Updated July 21, 2026 · By John Brown - banglabeacon.com

Foto : John Brown - banglabeacon.com

বিচ্ছেদ আলোচনার আগের দিন গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু

মুন্সীগঞ্জে রহস্যময় ঘটনা

Banglabeacon.com – ব চ ছ দ আল চন র - মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার বালুয়াকান্দি ইউনিয়নের তেতৈতলা গ্রামে ঝর্না আক্তার (২২) নামে এক গৃহবধূ এক অদৃশ্য মৃত্যুর শিকার হন। মঙ্গলবার (২ জুন) রাতে তার মরদেহ নিয়ে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পালিয়ে যান। ঘটনার পর ঝর্নার পরিবার তাকে পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ তুলে দাঁড়ায়।

ঝর্না আক্তার সুজন দেওয়ানের স্ত্রী এবং নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার মৃত আবদুস সাত্তারের মেয়ে। দুই বছর আগে সুজনের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। শ্বশুরবাড়ির লোকজন তার ওপর শারীরিক এবং মানসিক নির্যাতন চালাচ্ছিলেন বলে সূত্রে জানা গেছে। তারা তালাক দেওয়ার জন্য ঝর্নাকে দীর্ঘকাল ধরে চাপ দিচ্ছিল। বুধবার বিকেলে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেয়ার আশা ছিল বলে তাসলিমা আক্তার জানিয়েছেন।

‘ঝর্না সংসার ধ্বংস রোধ করতে চেয়েছিল। তারা আমার বোনকে মেরে হাসপাতালে ফেলে পালিয়েছে।’ হামদর্দ জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. আবরাহাম হোসেন ফাহিম জানান, ঝর্নাকে রাত ১০টার দিকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তবে মৃত্যু ঘটে গেছে হাসপাতালে পৌঁছানোর আগে।

মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে ঝর্না নিজের কক্ষের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ করে দেন। সাড়া পেলে না থাকার কারণে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন ড্রিল মেশিন ব্যবহার করে লোহার দরজা কেটে তাকে উদ্ধার করেন। প্রথমে তাকে হামদর্দ জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। কিন্তু অবস্থার সুস্থতা না হওয়ায় তাকে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক তার মৃত্যু ঘোষণা করেন। এর পরপরই শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা হাসপাতালে লাশ ফেলে পালিয়ে যান।

ঘটনার পর থেকে সুজন দেওয়ানের ঘরে তালা ঝুলছে। তার পরিবার সবাই আত্মগোপনে রয়েছেন। তাদের মুঠোফোনও বন্ধ হয়ে গেছে। গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হাসান আলী জানান, খবর পেয়ে পুলিশ লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা চলছে।