Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

বার নির্বাচনে প্রার্থী হতে ‘বাধা ও হয়রানি’: উদ্বেগ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে ব্রিটিশ আইনি সংস্থার চিঠি | সংবাদ

Published May 16, 2026 · Updated July 21, 2026 · By John Williams - banglabeacon.com

Foto : John Williams - banglabeacon.com

বার নির্বাচনে আইনজীবীদের হয়রানি ঘটেছে, প্রধানমন্ত্রীকে ল সোসাইটি চিঠি পাঠালো

Banglabeacon.com – ব র ন র ব চন প - বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে একটি বিষয়ে ল সোসাইটি চিঠি পাঠানো হয়েছে, যেখানে আইনজীবীদের নির্বাচনে বাধা দেওয়া এবং হয়রানি করা হয়েছে বলে অভিযোগ জানানো হয়েছে। চিঠি প্রেরণের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করে ল সোসাইটির জুনিয়র প্রেস অফিসার আন্দ্রেয়া সোয়েটজার এক লিখিত বার্তায় জানান, "আমি নিশ্চিত করছি যে এই চিঠিটি সঠিক এবং আনুষ্ঠানিকভাবে ল সোসাইটির পক্ষ থেকে ইস্যু করা হয়েছে।" কিন্তু তিনি এই বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করেননি।

মাসিক প্রতিবেদনে হস্তক্ষেপের আখ্যায়িত ঘটনা

ল সোসাইটি চিঠিতে উল্লেখ করেছে যে গত ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল মাসের মাসিক প্রতিবেদনগুলো অনুসারে বাংলাদেশের বার নির্বাচনগুলোতে নজিরবিহীন হস্তক্ষেপের ক্ষেত্র দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে, আওয়ামী লীগ সমর্থিত আইনজীবী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নির্বাচনে বাধানিষেধ করা, মনোনয়নপত্র জমা দিতে দেওয়া হয়নি এবং কিছু ক্ষেত্রে শারীরিক হেনস্থার সাক্ষ্য রয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, "আইনজীবীদের মনোনয়নপত্র জমা দিতে বাধা দেওয়া, স্বেচ্ছাচারীভাবে তাদের প্রার্থিতা বাতিল করা, অথবা নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে চাপ দেওয়া সরাসরি আইনজীবীদের ভূমিকার মৌলিক নীতি ক্ষুণ্ন করে। এই ধরনের কর্মকাণ্ড আইনি পেশার স্বশাসনে অনুচিত হস্তক্ষেপের ইঙ্গিত দেয়।"

সংস্থাটি আরও বলেছে যে পুলিশের সম্পৃক্ততা প্রার্থীদের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। যেমন, প্রার্থীদের ‘সহযোগী’ বা ‘দোসর’ হিসেবে আখ্যায়িত করার খবরগুলো আইনজীবীদের পরিচয়ের রাজনৈতিক বিকৃতি সৃষ্টি করে এবং পেশাগত আচরণের পরিবর্তে অনুমিত রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার ভিত্তিতে তাদের শাস্তির ঝুঁকি বৃদ্ধি করে।

ল সোসাইটি নির্বাচনী হয়রানি এবং অনিয়মের কারণে আইনি পেশার স্বাধীনতা খর্ব হয়েছে বলে আখ্যায়িত করেছে। সংস্থাটি বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষকে সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা, নির্বাচনী অনিয়ম ও সহিংসতার সুষ্ঠু তদন্ত এবং সব আইনজীবী ভয় ছাড়া পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য আহ্বান জানিয়েছে।

এই চিঠির অনুলিপি যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার, ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনারসহ জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে পাঠানো হয়েছে।

ফ্রান্সের সংগঠন আগে থেকে একই অভিযোগ জানিয়েছিল

গত ৩০ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীকে এই বিষয়ে চ