Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

বাবাকে দেখতে এসে প্রাণ গেল মেয়ের

Published May 16, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Jennifer Taylor - banglabeacon.com

Foto : Jennifer Taylor - banglabeacon.com

বাবাকে দেখতে এসে প্রাণ গেল মেয়ের

জামালপুরে ঘটেছে বিদ্যুৎ আঘাতে মৃত্যু

Banglabeacon.com – ব ব ক দ খত এস প - জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার মাদারের চর এলাকায় স্থানীয় বাড়িতে এক মেয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মুমূর্ষু বাবাকে দেখতে শ্বশুরবাড়ি থেকে আসেন। আগের দিনগুলো ধরে বাবার বাড়িতে তাঁকে সেবা করেছিলেন। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সন্ধ্যায় তিনি উঠান থেকে ছাগল আনতে গিয়ে এক তারে পা লাগলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। ঘটনার সময় সে তার কাছে বাবার বাড়ি থেকে বাইরে গেছেন কেন তা নিয়ে তদন্ন চলছে।

অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগে শুরু হয়েছিল ঘটনা

অভিযুক্ত মামুন মণ্ডল পল্লী বিদ্যুতের মেইন লাইন থেকে অবৈধভাবে সংযোগ নিয়েছিলেন। সম্প্রতি লাইনম্যান সেই সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করে দেন। কিন্তু তারটি শিখার বাড়ির উঠানে পড়ে ছিল। তদন্নে পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে যে এই বিদ্যুৎ সংযোগের কারণে তিনি এক দুর্ঘটনায় আটকে গেছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, মামুনের গাফিলতি ও বিদ্যুৎ ব্যবহার করার অবৈধ পদ্ধতি কারণে এই প্রাণহানি ঘটেছে। ঘটনার পর থেকে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা পলাতক রয়েছেন।

“বাবা, মা মারা গেছে,” ঘটনার পর শিখার তিন বছরের শিশুসন্তান সিফাত বাবাকে ফোনে বলেন।

নিহত শিখা আক্তার মেরুরচর ইউনিয়নের সুরুজ্জামাল শেখের মেয়ে। তার একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। বাবার বাড়ি ও শ্বশুরবাড়ি উভয় পরিবারে শোকের মাতম চলছে। ঘটনার পর স্থানীয়দের কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে যেমন বিদ্যুৎ সুরক্ষা ব্যবস্থার কার্যকরিতা ও ঘটনার স্থান নির্ণয় করার জন্য তদন্ন কমিশন গঠন করা হয়েছে। বিদ্যুৎ সরবরাহ করার জন্য মামুন মণ্ডল একটি কুশল পদ্ধতি ব্যবহার করেছিলেন কেন তা নিয়ে চিন্তা চলছে।

বাড়িতে আসা বিদ্যুৎ সংযোগে মৃত্যু হয়েছে

শিখার বাবার বাড়িতে আসা বিদ্যুৎ সংযোগ কারণে ঘটনা ঘটেছে। তদন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে শিখার বাপের বাড়ি এবং শ্বশুরবাড়ি মধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগ ছিল এবং সেই সংযোগটি কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দারা তার গাফিলতির কারণে এই মৃত্যুর দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান জানায়। শিখার বাড়িতে এই ঘটনার জন্য স্থানীয় বাসিন্দারা প্রায়শই নিয়ন্ত্রণ করতেন কিন্তু কিছু বিষয়ে অসুবিধা ছিল।

বিদ্যুৎ আঘাতে মৃত্যু ঘটার পর ঘটনার স্থানে স্থানীয় মানুষ স্তব্ধ হয়ে গেছে। তাদের মতে শিখার বাবার বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ ছিল কিন্তু সেই সংযোগটি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এই ঘটনায় স্থানীয় এলাকার মানুষ বিদ্যুৎ ব্যবহার করার কার্যকরী প্রণালী নিয়ে আলোচনা করছে। বিদ্যুৎ সুরক্ষা ব্যবস্থা এবং বাড়ি থেকে বিদ্যুৎ সংযোগের দায়িত্ব সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া প্রাপ্ত হয়েছে। তদন্নে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার কারণে বিশেষ করে বাবার বাড়িতে বিদ্যুৎ ব্যবহারে কোন পরিক্ষা হয়নি।

বাবাকে দেখতে এসে প্রাণ গেল মেয়ের ঘটনার পর স্থানীয় পরিবারের সদস্যদের