Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

বাংলাদেশে শিশুর প্রতি নৃশংসতার বিরুদ্ধে কড়া বার্তা ইউনিসেফের | সংবাদ

Published May 23, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Jennifer Taylor - banglabeacon.com

Foto : Jennifer Taylor - banglabeacon.com

বাংলাদেশে শিশু নিরাপত্তা বিষয়ক আহ্বান ইউনিসেফের

Banglabeacon.com – ব ল দ শ শ শ র - বাংলাদেশে শিশুদের ওপর সহিংসতা ও যৌন নির্যাতনের ঘটনা চরম আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ এ বিষয়ে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং শিশু নিরাপত্তা বিষয়ে কড়া বার্তা জানায়।

আইন ও সালিশ কেন্দ্রের পরিসংখ্যান বুঝায় কী সত্য?

এক নতুন পরিসংখ্যান দেখায় সারা দেশে শিশুদের ক্ষতিগ্রস্ত করা হচ্ছে কতটা ভয়াবহ ভাবে। গত বছরের জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত এতে মোট ১১৮ জন শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে সংঘটিত হয়েছে ৪৬ জন শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টা। ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে ১৪ জন শিশু, ধর্ষণচেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে খুন করা হয়েছে ৩ জন। আত্মহত্যা করেছে সোজা ভাবে ট্রমা সইতে না পেরে ২ জন।

গত মাসে রাজধানীতে ঘটে যাওয়া ৮ বছরের রামিসার হত্যার ঘটনা দেশজুড়ে মানুষকে তীব্র ক্ষোভে আঁকড়ে ধরেছে। এ ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখে ইউনিসেফ বাংলাদেশ সরকারকে আবেগীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে।

বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্সের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শিশু ও নারীদের বিরুদ্ধে এমন নৃশংসতা যে বিবেচনায় গৃহীত হয়েছে যে আমাদের শিশু সুরক্ষা ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ ব্যবস্থায় গুরুতর ঘাটতি রয়েছে।

সংস্থাটি জোরালোভাবে অপরাধীদের পার পেয়ে যাওয়ার "দায়মুক্তির সংস্কৃতি" সুদূর আগে বন্ধ করার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেছে। তারা দাবি করেছে প্রতিষ্ঠানিক সুরক্ষা, শিশুবান্ধব পুলিশিং এবং বিচার ব্যবস্থা অবশ্যই নিরাপদ করা হবে। কোনো শিশু নির্যাতন বা শোষণের শিকার হলে তা চেপে রেখে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বা শিশু সহায়তা হেল্পলাইন ১০৯৮ নম্বরে তার খবর জানানো আবশ্যক।

যৌন নির্যাতনের শিকার শিশু ও নারীদের মর্যাদা রক্ষার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছে ইউনিসেফ। বিবৃতিতে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে ভুক্তভোগী শিশুদের ছবি, ভিডিও বা ব্যক্তিগত পরিচয় সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করা আরেকটি মূল্যবান অপরাধ। এটি শিশু ও তাদের পরিবারের মানসিক আঘাত আরও বৃদ্ধি করে।

বিশেষ ভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের প্রতি আহ্বান জানায় ইউনিসেফ। শিশুদের সর্বত্র ঘরে, স্কুলে কিংবা জনপরিসরে সুরক্ষা অধিকার রয়েছে। সে অধিকার মেনে চলার ওপর সবাইকে গুরুত্ব দিতে হবে।