Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

বরিশালে শিশু হাসপাতাল চালুর আগে সমন্বয়হীনতার অভিযোগ

Published June 5, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Mark Hernandez - banglabeacon.com

Foto : Mark Hernandez - banglabeacon.com

বরিশালে শিশু হাসপাতাল চালুর আগে সমন্বয়হীনতার অভিযোগ

Banglabeacon.com – বর শ ল শ শ হ সপ - বরিশালে দীর্ঘদিনের আশা করা হাসপাতালটি আগামী আগস্টে চালু হওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে বিভিন্ন স্তরে প্রস্তুতি চলছে। গত সোমবার (১ জুন) বিশেষ সহকারী প্রতিমন্ত্রী ডা. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার আমানতগঞ্জ এলাকায় নির্মাণাধীন হাসপাতালটি পরিদর্শন করেন। সফরে সংসদ সদস্য মজিবর রহমান সরোয়ার বা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিনকে দৃশ্যমানভাবে অংশগ্রহণের অভাব বিষয়ে মহিলা জনতা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

২০১৭ সালে কোটি টাকার ব্যয়ে শুরু হওয়া প্রকল্পটি আগামী আগস্টে পরিচালনার জন্য সাত বছর পিছিয়ে থাকলেও তার বাকি কাজ চলছে। বর্তমানে বিদ্যুৎ সাব-স্টেশন নির্মাণ সহ কিছু প্রস্তুতি পরিচালিত হচ্ছে। সম্প্রতি প্রশাসনের উপর দিয়ে আলোচনা বিষয়ে সংসদ সদস্য মজিবর রহমান সরোয়ার জানান, তাঁর নির্বাচনী এলাকায় পরিদর্শন হলেও কোন বিশেষ তথ্য প্রদান করা হয়নি। তিনি বলেন, ‘মানুষ এই সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘমেয়াদি সফলতা বিচার করবে। আমাদের সম্পৃক্ততা না থাকলে প্রকল্পের বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে আসবে।’

অন্যদিকে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন ঘোষণা করেন, সফরে তিনি শাহাদাতবার্ষিকীর কারণে উপস্থিত থাকতে পারেননি। তবে হাসপাতালটি চালু হওয়ার বিষয়ে তাঁর সম্পৃক্ততা রয়েছে। বরিশাল স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ লোকমান হাকিম বলেন, আগস্টে বহির্বিভাগ চালু করার লক্ষ্যে প্রস্তুতি চলছে। তিনি দাবি করেন, চলতি মাসে সমন্বয় কমিটি কাজ শেষ করবে।

প্রস্তুতি ও প্রকল্প তথ্য

হাসপাতালটি পরিচালনার জন্য প্রায় ৫০ জন চিকিৎসক ও শতাধিক নার্স প্রয়োজন হবে। বর্তমানে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের মধ্যে আলোচনা চলছে। তবে সমন্বয় ভূমিকা পালন করছে বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তর।

“আমার নির্বাচনী এলাকায় এসে পরিদর্শন করে যাচ্ছেন অথচ আমাকে কিছুই জানানো হয়নি। এটা দুঃখজনক। বরিশালের মানুষের দীর্ঘদিনের চাওয়ার বাস্তবায়নের সঙ্গে আমাদের সম্পৃক্ততা না থাকাটা কতটা গ্রহণযোগ্য, তা সাধারণ মানুষই বিচার করবে।”

২০১৯ সালে হাসপাতালটি কাজ শেষ হওয়ার আশা ছিল, কিন্তু নানা কারণে এটি সাত বছর পিছিয়ে পড়েছে। কার্যক্রমের চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে। হাসপাতালটির জন্য নির্মাণাধীন সামগ্রিক ব্যয় ছিল ১৯ কোটি ৪৮ লাখ টাকা।