Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

পল্লী বিদ্যুৎ: ঝড়-বৃষ্টিতে লণ্ডভণ্ড সরবরাহ ব্যবস্থা

Published May 27, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Jennifer Taylor - banglabeacon.com

Foto : Jennifer Taylor - banglabeacon.com

পল্লী বিদ্যুৎ: ঝড়-বৃষ্টির কারণে বিতরণ ব্যবস্থা বিপর্যয়ে পরিণত হয়েছে

Banglabeacon.com – পল ল ব দ য ৎ - খুব শক্ত ঝড় ও ভারী বৃষ্টির প্রভাবে বাংলাদেশের পল্লী বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার বৃহৎ ক্ষতি হয়েছে। প্রায় সব জেলাতে বিদ্যুতের তারগুলি আঘাত পেয়েছে, যেগুলি গাছ উপড়ে ছিটিয়ে বা ঝড়ের তীব্র চাপে ভেঙে পড়েছে। এতে দেশের অনেক এলাকার গ্রাহকদের দিন বা রাত পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ পেতে বাধ্য হতে হয়েছে। ঝড়ের কারণে স্থানীয় বিতরণ লাইনে গুরুতর ত্রুটি ঘটেছে বলে আরইবি সূত্রে জানা গেছে।

বিআরইবি কর্মকর্তারা জানান, ২৬ মে দিনভর বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড় ও বজ্রবৃষ্টি ঘটে যাওয়ায় পল্লী বিদ্যুৎ বিতরণ নেটওয়ার্কে গুরুতর ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে মধ্যাঞ্চল, উত্তরাঞ্চল, উপকূলীয় এলাকা এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ক্ষতির মাত্রা ছিল বেশি। এতে বেশির ভাগ স্থানে চারপাশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে।

বিদ্যুৎ উৎপাদন ঘাটতির কারণে সাময়িক লোডশেডিং হয়নি, ঝড়-বৃষ্টির কারণে স্থানীয় বিতরণ লাইনে যে ত্রুটি দেখা দেয়, সেগুলোর কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখতে হয়েছে।

কর্মকর্তারা বিশ্বাস করেন যে এ সমস্যা কেন্দ্রীয় উৎপাদন ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত হয়নি। বিপর্যয় সৃষ্টির কারণে স্থানীয় লাইনগুলি বিভিন্ন কারিগরি ত্রুটির কারণে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।

বিপর্যয় ছড়ানো হয়েছে নরসিংদী পিবিএস-২, নারায়ণগঞ্জ পিবিএস-২, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ পিবিএস-১, ২ ও ৩ এবং গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায়। আরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শেরপুর, জামালপুর, নেত্রকোণা, কক্সবাজার, ফেনী, নোয়াখালী পিবিএস-১ ও ২, লক্ষ্মীপুর এবং চট্টগ্রাম পিবিএস-৩।

বিশেষ করে কুমিল্লার চারটি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন এলাকায় পরিস্থিতি ছিল জটিল। সেখানে ঝড়ে একাধিক লাইন ভেঙে পড়ায় অনেক গ্রাহক দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎবিহীন ছিলেন। শরীয়তপুর ও মাদারীপুর এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট হয়েছে বলে জানা গেছে।

বিআরইবি কর্মকর্তারা ঘোষণা করেছেন যে সমস্যার কারণ হচ্ছে স্থানীয় বিতরণ লাইনে যেসব ত্রুটি। এতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে মাঠপর্যায়ে প্রকৌশলী ও কারিগরি দল রাতভর কাজ করেছে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কুষ্টিয়া পিবিএস-১ ও ২, যশোর পিবিএস-১ ও ২, মাগুরা, খুলনা, সাতক্ষীরা, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ ও বাগেরহাট এলাকাগুলি বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়েছে। সেখানে বিদ্যুত সরবরাহ বন্ধ ছিল এবং কাজ চালু করতে হয�