Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

পকেটে চিরকুট রেখে মাদ্রাসা শিক্ষকের আত্মহত্যা

Published May 21, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Robert Taylor - banglabeacon.com

Foto : Robert Taylor - banglabeacon.com

পকেটে চিরকুট রেখে মাদ্রাসা শিক্ষকের আত্মহত্যা

Banglabeacon.com – পক ট চ রক ট র খ - পকেটে চিরকুট রেখে মাদ্রাসা শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ (৫৫) এর আত্মহত্যার খবর স্থানীয় সূত্র থেকে সামনে এসেছে। তিনি পটুয়াখালী জেলার দুমকি ইউনিয়নে বাস করতেন এবং দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক হিসেবে কাজ করেছিলেন। তিনি নিজের সাবেক ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও দলিল লেখক ছিলেন। এই ঘটনা পটুয়াখালী এলাকার মানুষদের ঘিরে আবার একটি চিরকুটের চাপ তৈরি করেছে যা তার মৃত্যুর কারণ হিসেবে স্থানীয় সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

আত্মহত্যার সংঘটন

বৃহস্পতিবার (২১ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে ঘটনার স্থান হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, তিনি আত্মহত্যার আগে নিজের পকেটে চিরকুট রেখে কার্যক্রম চালানো হয়েছিল। স্থানীয় সূত্র থেকে প্রকাশ পেয়েছে যে, তিনি পাশাপাশি একটি আম গাছের নিচে ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছিল। পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার ময়নাতদন্তের জন্য প্রস্তুতি চলছে।

আত্মহত্যার কারণ ও সমস্যা

আত্মহত্যার কারণ হিসেবে ঋণগ্রস্ত অবস্থা উল্লেখ করা হয়েছে। বাসিন্দারা জানায়, আবুল কালাম আজাদ কিছুটা প্রতিশোধের আশায় পকেটে চিরকুট রেখে বিপর্যস্ত হয়েছিলেন। তার দায়িত্বে ছয়জন ব্যক্তির নাম লিখা হয়েছে যারা পূর্বে তার সাথে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তিনি কিছু ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্য ছিলেন যাদের মধ্যে ঋণের চাপ বেড়েছিল।

“আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার পূর্বে আমরা তার পকেটে চিরকুট রেখে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু তিনি সেটা করতে পারেননি।” একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন। দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সেলিম উদ্দিন জানান যে, তিনি আত্মহত্যার ঘটনার সময় সেই চিরকুট রেখে কাজ করেছিলেন। এ খবর স্থানীয় সম্প্রদায়কে আবার চিন্তা করতে বাধ্য করেছে।

তিনি মোসলেম আলী খানের পুত্র ছিলেন। পরিবার কর্মকর্তারা স্বীকার করেছেন যে, ঋণের সমস্যা তার মানসিক চাপের কারণ হয়েছিল। আত্মহত্যার ঘটনার পর তার বাড়িতে দুঃখের ছায়া ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় সূত্রে বলা হয়েছে যে, তিনি চিরকুট রেখে নিজের দুঃখ মুক্তি পেতে চেষ্টা করেছিলেন।

পরিবারের মধ্�