Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

নিজ ঘর থেকে প্রবাসীর স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

Published June 7, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Mark Hernandez - banglabeacon.com

Foto : Mark Hernandez - banglabeacon.com

নিজ ঘর থেকে প্রবাসীর স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

Banglabeacon.com – ন জ ঘর থ ক প রব - নিজ ঘর থেকে প্রবাসীর স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনার সংঘটনস্থল হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের ঘনশ্যামপুর গ্রাম। এখানে বাস করে ইব্রাহিম মিয়া নামে এক ওমানপ্রবাসী ব্যক্তির স্ত্রী বিউটি আক্তার (২৫) নিহত হয়েছেন। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (৫ জুন) দিবাগত রাতে নিহতের বাবা জয়নাল মিয়া ও বাবাসহ স্বজনরা তাকে অচেতন অবস্থায় ঘরে দেখেন। সেই সময় থেকে তাদের খবর পেয়ে চুনারুঘাট থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে চলে আসে। মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালের ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। পরিবারের দাবি, নিহত স্ত্রীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।

বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা

নিজ ঘর থেকে প্রবাসীর স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনাটি স্থানীয় মানুষের মধ্যে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ রূপে চলে এসেছে। কিছু স্থানীয় বাসিন্তে জানান, বিউটি আক্তার তার পরিবারের সদস্যদের সাথে দিনের অনেক কাজে ব্যস্ত ছিলেন। তিনি কয়েক বছর ধরে ওমানে কাজ করে আসছেন। ঘটনার সময় তার স্বামী ইব্রাহিম মিয়া এবং তার পরিবার স্থানে ছিল। এটি একটি চোখের মুখ করে নিজ ঘর থেকে প্রবাসীর স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা বিশেষ করে ঘরের সাথে সংঘটিত হওয়ার কারণ সম্পর্কে বিশেষ তদন্ত চলছে। পুলিশ তাদের কাছে তথ্য জমা নেয়ার জন্য এবং নিজ ঘর থেকে প্রবাসীর স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধারের প্রক্রিয়া দ্রুত করার প্রকৃত কারণ খুঁজছে।

নিজ ঘর থেকে প্রবাসীর স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করার পর স্থানীয় মানুষের মধ্যে শোকের পরিবেশ গড়ে উঠেছে। এলাকার স্বাগত নিহতের স্বজনদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিউটি আক্তারকে হত্যা করা হয়েছে। তার মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া হয়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে নিজ ঘর থেকে প্রবাসীর স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধারের প্রকৃত কারণ বিশেষ তদন্ত চলছে। চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম জানান, পুলিশ এখনো তদন্ত চলছে। তিনি উল্লেখ করেন, মরদেহটি হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালের ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে।

হবিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম জানান, নিজ ঘর থেকে প্রবাসীর স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধারের পর তদন্ত চলছে। তিনি বলেন, মৃত বিউটি আক্তার কয়েক বছর ধরে ওমানে কাজ করে আসছিলেন। তার স্বামী ইব্রাহিম মিয়া এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্য তার সম্পর্কে কোনো সন্দেহ ছিল না। তারা সত্যিকারো পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্তে গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য দিচ্ছে। তদন্তের সময় কোনো বিশেষ সন্দেহ উঠেছে না।

ঘটনার প্রকৃত কারণ খুঁজছে পুলিশ

নিজ ঘর থেকে প্রবাসীর স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনার পর পুলিশ তদন্ত চালিয়েছে। তারা সাথে সাথে ঘটনার সম্ভাব্য কারণ খুঁজছে। পরিবারের দাবি, নিহত বিউটি আক্তার হত্যা করা হয়েছে। সে ঘটনার পর ঘরের মধ্যে বিশেষ আনন্দ ও বিষ