Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

ধূমকেতুর গতিতে আসা ‘দুখু মিয়ার’ ১২৭তম জন্মবার্ষিকী | সংবাদ

Published May 25, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Mark Hernandez - banglabeacon.com

Foto : Mark Hernandez - banglabeacon.com

নজরুলের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে প্রাসঙ্গিক বাণী নিয়ে বাংলাদেশে উৎসব

Banglabeacon.com – ধ মক ত র গত ত আস - ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ তারিখে পশ্চিমবঙ্গের চুরুলিয়া গ্রামে এক কাল্পনিক শিশু জন্ম নিয়েছিল। সেই শিশুর মাঝে দুঃখ ও দারিদ্র্য ছিল সাথে সাথে গৃহীত। তার ডাকনাম হয়ে উঠেছিল বিখ্যাত ‘দুখু মিয়া’।

অনেকে বিশ্বাস করেন না যে অতি সাধারণ মক্তবের শিক্ষক এবং লেটো দলের ছেলেটিকে মহান কবি হিসেবে দেখা যাবে। কিন্তু জীবনের আরম্ভেই তিনি দুর্লংঘ্য পর্বতের পার যাওয়ার আহ্বান দিয়েছিলেন। তার অতুলনীয় প্রতিভা সাহিত্যের আকাশে দোর্দণ্ড প্রতাপে বিকশিত হয়েছিল।

বিশ্বমানবতার প্রতি কবির বিদ্রোহ আঁধারে জাগে

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর অসাধারণ দৃষ্টিভঙ্গির কথা বলেছিলেন, “আয় চলে আয়রে ধূমকেতু/আঁধারে বাঁধ অগ্নিসেতু, দুর্দিনের এই দুর্গশিরে উড়িয়ে দে তোর বিজয় কেতন।” এই বিদ্রোহী কবিতার মাধ্যমে নজরুল বাংলা সাহিত্যে এক নতুন যুগের উদ্বোধন করেন।

মাতৃভূমিকে ভালোবাসার ক্ষেত্রে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম আমাদের অন্যতম প্রধান দিশারি। আমাদের জীবন, আশা-আকাঙ্ক্ষা, স্বপ্ন, সংগ্রাম, সাহিত্য, সংস্কৃতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্য তাঁর রচনার মধ্যে মহিমাময় সৌন্দর্যে প্রাণবন্ত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, “তাঁর সৃষ্টিশীলতার মধ্যে আতিথ্য আছে সকল কালের সকল মানুষের। অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে লড়া হিসেবে তিনি আমাদের প্রধান পাথেয়।”

১৯৭২ সালের ২৪ মে বাংলাদেশে তাঁকে সপরিবারে নিয়ে আসা হয়। দেওয়া হয় নাগরিকত্ব এবং ঘোষণা করা হয় ‘জাতীয় কবি’ হিসেবে। কবির প্রাসঙ্গিকতা এখনও আসেন না।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, “বাংলার মাটিই ছিল কবির পরম আশ্রয়। দেশের প্রতি তাঁর ভালোবাসা নিত্যসত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।”

১২৭ বছর পর তাঁর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানী সহ বিভিন্ন জায়গায় ব্যাপক উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলা একাডেমি ও নজরুল ইনস্টিটিউট সহ সংস্কৃতিক সংগঠনগুলো তাঁর স্মৃতির জন্য গান, কবিতা ও আলোচনা আয়োজন করছে।