Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

দাদা-দাদির কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত শিশু রামিসা

Published May 21, 2026 · Updated July 21, 2026 · By John Williams - banglabeacon.com

Foto : John Williams - banglabeacon.com

চিরনিদ্রায় শায়িত শিশু রামিসা আক্তারকে দাদা-দাদির কবরের পাশে দাফন করা হয়েছে

Banglabeacon.com – দ দ দ দ র কবর র - দাদা-দাদির কবর র - রাজধানীর মিরপুর এলাকার পল্লবীতে ঘটে যাওয়া একটি আঘাতের সাক্ষী আট বছর বয়স্ক শিশু রামিসা আক্তার আজ মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান ইউনিয়নের মধ্য শিয়ালদী গ্রামে চিরনিদ্রায় শায়িত হয়েছেন। ঘটনাটি বুধবার (২০ মে) রাত সাড়ে ৯টার দিকে সংঘটিত হয়েছিল যখন শিশুটি পরিবারের সদস্যদের সাথে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল। দাদা-দাদির কবর র ঘটনার স্থান হিসেবে সুবিধাজনক এবং বিশ্বাসযোগ্য হওয়ায় তার খোঁজ খুঁজি কাজ সেখানে থেকে শুরু হয়। বিষয়টি আগে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘটেছিল এবং সেই সময় শিশুটি নিজের বাড়ি থেকে অনুপস্থিতি সনাক্ত করা হয়।

অনুসন্ধান ও অপরাধের সত্যায়ন

সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পরিবারের সদস্যরা শিশু রামিসার খোঁজ খুঁজতে শুরু করেন। এই অনুসন্ধান প্রক্রিয়ায় শিশুটির জুতা দেখা যায় দাদা-দাদির কবর র ফ্ল্যাটের সামনে এবং দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে তার খণ্ডিত মৃতদেহ পাওয়া যায়। অপরাধ সংক্রান্ত তদন্তে সোহেল রানা কক্ষের জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যাওয়ার পরিণতি হয়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের বিশ্লেষণে দাদা-দাদির কবর র স্থানে ঘটনার ঘটনা ক্রমশ আবিষ্কৃত হয়।

পরিবারের স্বাক্ষর এবং শোকের ছায়া

রামিসা আক্তার ছিলেন মধ্য শিয়ালদী গ্রামে মৃত হেলাল উদ্দিন মোল্লার ছেলে হান্নান মোল্লার মেয়ে। তিনি স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন যা তার প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও শিক্ষার অংশ। জানাজায় অংশগ্রহণ করেন আত্মীয়-স্বজন, স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ এবং সাধারণ মানুষ। সেই সময় শোকের ছায়া পুরো এলাকায় পতিত হয়। দাদা-দাদির কবর র পাশে বাবা ও পরিবারের স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। এই স্থানে শিশুটির প্রতি পরিবারের আবেগ অপ্রতুল হয়েছিল যেহেতু তার বাবা এবং মা ছিলেন না একাকী বাস করছেন।

দাদা-দাদির কবর র স্থানে ঘটনার পরিস্থিতি এখন পরিবারের বাইরে প্রাণ যুদ্ধে পরিণত হয়েছে। মৃত শিশু রামিসার চিরনিদ্রায় শায়িত দেখা দেয় এবং তার পরিবারের আবেগ দাফন প্রক্রিয়ায় উপস্থিত হয়। পরিবারের মধ্যে শিশুটির মৃত্যুর প্রতি দায়িত্ব গ্রহণের সাথে সাথে এই স্থানে বৃদ্ধ পরিবারের সাথে সম্পর্কে অবিচ্ছিন্ন হয়ে থাকে। তার মৃত দাদা এবং দাদি আগে থেকেই এই কবর র স্থানে অবস্থান করতেন যেহেতু তাদের পরিবারের মৃত্যু তার জন্য শোকের সূত্র গঠন করেছিল।

পরিবেশে গুরুতর প্রভাব

দাদা-দাদির কবর র পাশে শিশু রামিসার দাফন ঘটনার ফলে এলাকার মানুষ ক্রমশ আকীর্তি প্রকাশ করেন। এই ঘটনার প্রতি কমিউনিটি তার স্বাক্ষর দিয়ে এক অসাধার