Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

তোফায়েল আহমেদের জানাজা ঘিরে উত্তেজনা

Published June 2, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Robert Taylor - banglabeacon.com

Foto : Robert Taylor - banglabeacon.com

তোফায়েল আহমেদের জানাজা ঘিরে উত্তেজনা

Banglabeacon.com – ত ফ য় ল আহম দ র - তোফায়েল আহমেদের ভোলা সরকারি স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হওয়া জানাজার ঘটনায় বিএনপি এবং তাদের সহযোগী সংগঠনের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। আজ মঙ্গলবার (২ জুন) ভোর থেকে তার পরিবার ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাজ চলছে মাঠ প্রস্তুতির জন্য। অন্যদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মাঠের নিরাপত্তার জন্য অবস্থান করছেন। এখনও মাঠে আসা মুসল্লিদের মধ্যে অজানা ভয় ছড়িয়ে পড়ছে।

স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদের দ্বিতীয় জানাজার জন্য ভোলা সরকারি স্কুল মাঠ প্রস্তুত করা হয়েছে। কিন্তু জানাজার ঘটনায় জেলা যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল এবং শ্রমিক দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে চলছে ক্ষোভের আঁঘি। এদিকে সদর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আব্দুল লতিফ টিটু নেতৃত্বে কিছু নেতাকর্মী জানাজার স্থানে আসতে দেয়নি ঘোষণা করেন। তারা পুলিশকে জানায়, জানাজাকে কেন্দ্র করে যদি কোনো উস্কানি স্লোগান প্রচারিত হয় তবে তা প্রতিরোধ করবে।

পরে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রাইসুল আলম জানাজার স্থানে আসেন এবং যুবদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ভোলা সরকারি স্কুল মাঠে দুপুর ২টার সময় জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার আশা ছিল, কিন্তু সোয়া ২টা পর্যন্ত তোফায়েল আহমেদের মরদেহ মাঠে নিয়ে আসা হয়নি। জানাজার গেটে আসতে শুরু করেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী, সমর্থক ও মুসল্লিরা।

নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা জানান, বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের বাধার কারণে তার মরদেহ আনতে দেরি হচ্ছে। এ ব্যাপারে প্রশাসনের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে এবং জানাজার নামাজ কিছুটা দেরি হতে পারে।

আব্দুল লতিফ টিটু বলেন, ২০২২ সালে গ্যাস ও বিদ্যুতের দাবিতে বিএনপির আন্দোলনের সময় পুলিশের গুলিতে জেলা ছাত্রদলের তৎকালীন সভাপতি নুরে আলম নিহত হন। তার জানাজার ঘটনায় আওয়ামী লীগ ও প্রশাসন কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে দেয়। পরে সংসদে দাঁড়িয়ে তোফায়েল আহমেদ নুরে আলমের মৃত্যু নিয়ে মিথ্যা বক্তব্য প্রদান করেন।

জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নূর মোহাম্মদ রুবেল বলেন, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি নুরে আলমের জানাজা করতে দেয়নি আওয়ামী লীগ ও প্রশাসন। আমরা জানাজার গেটে থাকব। যদি কোনো ধরনের উসকানিমূলক স্লোগান দেওয়া