News

তিস্তামুখ-বাহাদুরাবাদ ঘাটে সেতুর দাবিতে মানববন্ধন

Techtaranga.com_17802341529978

তিস্তামুখ-বাহাদুরাবাদ ঘাটে সেতুর দাবিতে মানববন্ধন

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলায় স্থানীয় জনগণের প্রাণপ্রিয় কর্মসূচি

Banglabeacon.com – ত স ত ম খ ব হ – রোববার তিস্তামুখ ঘাট এলাকায় সড়ক ও রেলসেতু নির্মাণের দাবিতে জনগণ মানববন্ধন পরিচালনা করেছে। এই কর্মসূচি জামালপুরের বাহাদুরাবাদ ঘাটের পর্যন্ত যমুনা নদীর পাশে পরিচালিত হয়েছে। মানববন্ধনে অংশ নেওয়া হয়েছে বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাদের পাশাপাশি ব্যবসায়ী ও পেশাজীবীদের। এছাড়াও ছাত্রদের ও জনতার সাথে গোটা নদী অববাহিকায় হাজারো মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে যুক্ত হয়েছে। আন্দোলনের মূল প্রেরণা ছিল দীর্ঘ দিনের পর মানববন্ধন ও সামাজিক যোগাযোগের দাবি পূরণ করা।

সেতু নির্মাণ প্রকল্পের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা

ত স ত ম খ ব এলাকায় যাতায়াতের সমস্যা বাড়তে থাকার কারণে কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। বাহাদুরাবাদ ঘাট সেতু বা টানেল নির্মাণ সম্পূর্ণ গ্রামীণ ব্যবসায়ীদের প্রাণপ্রিয় মুহূর্ত। যামুনা নদী দিয়ে যাওয়া কর্মসূচি বিভিন্ন শিল্পী ও কৃষকদের সাথে সংযুক্ত হয়েছে, যারা কর্মসূচির মাধ্যমে নিজেদের প্রয়োজনীয়তা প্রকাশ করেছেন। আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের মতে এই সেতু নির্মাণ তাদের বৈচিত্র্যপূর্ণ পরিবহন সুবিধা প্রদান করবে।

যমুনায় সেতু বা টানেল নির্মাণ এ অঞ্চলের কোটি মানুষের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি। অবিলম্বে এই মেগা প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সরকারের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা। অন্যথায় ভবিষ্যতে চরাঞ্চলসহ পুরো জেলায় বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। তাদের মতে সেতু নির্মাণ কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ এবং সমস্যা দূর করার জন্য সরকারের দৃষ্টিতে উঠে এসেছে।

প্রাকৃতিক সমস্যা এবং আন্দোলনের পরিস্থিতি

ত স ত ম খ ব এলাকায় দীর্ঘ সময় ধরে যাতায়াতের সমস্যা চলছে। নদী দিয়ে যাওয়া কর্মসূচির পরিস্থিতি কিছুটা স্থায়ী হয়ে আসছে, কিন্তু অপরাহত সমস্যা এখনও পরিস্থিতি নির্ধারণ করেছে। স্থানীয় জনগণ বিশ্বাস করেন যে এই অঞ্চলটি সংযোগের ক্ষেত্রে কমপক্ষে এক কেন্দ্র হিসাবে কাজ করছে। আন্দোলনের বৈশিষ্ট্য হল সংখ্যালঘু গোষ্ঠীগুলি নেতৃত্বে সম্মিলিত হয়ে একটি মেগা আন্দোলন গঠন করা।

ত স ত ম খ ব বাহাদুরাবাদ ঘাট এলাকার অবস্থা গুরুতর হয়ে ওঠার কারণে জনগণ সংগ্রামে লিপ্ত হয়েছেন। এই কর্মসূচি বিশেষ করে নাব্য সংকটের কারণে অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রতিক

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *