Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

তরুণ চিকিৎসককে ‘মব জাস্টিসের’ চেষ্টা, আশঙ্কাজনক অবস্থায় এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকা প্রেরণ | সংবাদ

Published May 17, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Jennifer Taylor - banglabeacon.com

Foto : Jennifer Taylor - banglabeacon.com

তরুণ চিকিৎসককে মব জাস্টিসের চেষ্টা, আশঙ্কাজনক অবস্থায় এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকা প্রেরণ

Banglabeacon.com – তর ণ চ ক ৎসকক মব জ - তরুণ চিকিৎসককে মব জাস্টিসের চেষ্টা করা হয়েছে আশঙ্কাজনক অবস্থায় এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকা প্রেরণ করে মারধরের শিকারি করেছে বলে জানা গেছে। রোগী হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার চিকিৎসা জারিয়া তিনি এর পরিণতি নিয়ে উপরে নিয়োগ পেয়েছিলেন ডা. নাসির ইসলাম। ঘটনার পর চিকিৎসকের কর্মকর্তা হাসপাতালের কর্মকর্তা মিতু আক্তার বলেন যে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রেরণ করা হয়েছে।

হামলার পরিচয়

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায় প্রায় অর্ধশত লোক একত্রিত হয়ে তরুণ চিকিৎসকের ওপর কিল-ঘুসি ও লাথি চালায়। রোগী মারা যাওয়ার পর চিকিৎসকের গাফিলতির অভিযোগ তোলে বহিরাগত ও স্বজন। তিনি জানান যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় আক্রান্ত রোগীকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকা প্রেরণের আগে হামলা চালিয়ে গুরুতর আঘাত করা হয়েছিল। ঘটনার পর তার বিরুদ্ধে আটক করা হয় একজন পুলিশ কর্মকর্তা।

হাসপাতাল কর্মকর্তার প্রতিক্রিয়া

হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা মিতু আক্তার জানান যে রোগী মৃত্যুর পর উত্তেজনা বাড়ে। তিনি বিষয়টি পুলিশ ও ইউএনও ম্যাডামকে অবহিত করেন। এ ঘটনায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা প্রেরণের সংকট সৃষ্টি হয়।

তরুণ চিকিৎসকের জন্য গুরুতর আঘাত পরিমাপ করা হয়। তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়ার পরও মারধরের শিকারি হিসেবে চিহ্নিত হন। এ সময় সেবা দিতে গিয়ে তিনি কেউ ভুল বুঝে যদি হামলা চালায় তাহলে এটি ন্যাক্কারজনক বলে তার আবেগ প্রকাশ করেন।

মাত্র তিন মাস আগে ৪৮তম বিসিএস উত্তীর্ণ হয়ে চাকরিতে যোগ দেওয়া ভাইয়ের এমন অবস্থায় কান্নায় ভেঙে পড়েন নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, “আমার ভাই সবসময় মানুষের সেবা করার কথা জানিয়েছে। এ ঘটনায় তিনি সেবা দিতে গিয়ে কেউ ভুল বুঝে যদি এমন হামলা চালায় তাহলে এটি আশঙ্কাজনক কাজ করে। সেবা দিতে গিয়ে তরুণ চিকিৎসক কেন এতটা অবস্থা বজায় রেখেছিলেন তা অব বুঝতে চেষ্টা করেন স্বজন।

হাসপাতাল সূত্রে জানানো হয় শুক্রবার রাতে উত্তর বিলাসখান এলাকার লাল মিয়া কাজী হাসপাতালে আসেন। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় ডা. নাসির ইসলাম তাকে ঢাকায় রেফার করেন। কিন্তু যাওয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়। সে বিষয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে চিকিৎসকের গাফিলতির অভিযোগ তোলে বহিরাগত ও স্বজন।