Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

ঢাকায় তাপপ্রবাহে হাঁসফাঁস, রাতে তাপমাত্রা বাড়লো ৬ ডিগ্রি

Published May 20, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Jennifer Taylor - banglabeacon.com

ঢাকায় তাপপ্রবাহে হাঁসফাঁস, রাতে তাপমাত্রা বাড়লো ৬ ডিগ্রি

Banglabeacon.com – ঢ ক য় ত পপ রব হ - ২০ মে বুধবার সকাল থেকে ঢাকার নগরবাসী অসহ্য গরমে কবলে পড়েছেন। এই তাপপ্রবাহ দিনের উচ্চ তাপমাত্রা নয়, বরং রাতের তাপমাত্রা অস্বাভাবিক বেড়ে গেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, গত রাতে ঢাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৮ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটি স্বাভাবিক থেকে ৬ ডিগ্রি বেশি হয়েছে।

ঢাকার বাইরে আরও ছয়টি জেলায় তাপপ্রবাহ ছড়িয়ে পড়েছে। সবচেয়ে উচ্চ তাপমাত্রা বাগেরহাটে রেকর্ড হয়েছে- ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যশোরে তাপমাত্রা ছিল ৩৬ দশমিক ৮, সাতক্ষীরায় ৩৬ দশমিক ৪, খুলনায় ৩৬ দশমিক ২, পাবনা ও রাজশাহীতে ৩৬ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যখন কোনো এলাকার তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি হয়, তখন তাকে ‘মৃদু তাপপ্রবাহ’ বলা হয়। আজ এই সাতটি জেলা এ তালিকায় রয়েছে।

শ্রমজীবীর কপালে ঘামের ধারা

সকাল থেকে রাস্তায় কাজ করা শ্রমজীবীদের কপালে ঘামের ধারা ছাড়া থাকে না। রিকশাচালক, নির্মাণশ্রমিক ও ফুটপাতের ব্যবসায়ীদের বলা হয়েছে যে এই ভ্যাপসা গরমে শ্বাস নিতেও কষ্ট হচ্ছে। ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইলের একাধিক এলাকায় বৃষ্টি হয়েছে, কিন্তু ঢাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা খুব কম। অতি সামান্য পরিমাণে বৃষ্টি হলেও তাপমাত্রা কমাতে তেমন ভূমিকা রাখবে না।

“ঢাকায় গত দিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ছিল। এ সময়ে ৩৬ ডিগ্রি তাপমাত্রা অস্বাভাবিক কিছু নয়, কিন্তু রাতের তাপমাত্রা বেড়ে গেছে এত পরিমাণে যে গরমের অনুভূতি খুব তীব্র হয়েছে। মানুষের শরীর গরম থেকে বেরোতে পারছে না,” বলেন আবহাওয়াবিদ মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক।

আবহাওয়াবিদেরা ব্যাখ্যা করেছেন, বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এ কারণে রাতে তাপমাত্রা বাড়ছে। আকাশ পরিষ্কার না থাকায় পৃথিবী থেকে তাপ বিকিরণ কম হচ্ছে। ফলে দিনের তাপ রাতেও জমে থাকে। এটি আরবান হিট আইল্যান্ড ইফেক্ট বলা হয়।

ঢাকায় ঘনবসতি এবং কংক্রিট ভবনের সংখ্যা বেশি হওয়ায় এ প্রভাব আরও প্রবল হচ্ছে। আবহাওয়াবিদ আবুল কালাম মল্লিক জানিয়েছেন, আগামী দুই দিন তাপপ্রবাহ ও ভ্যাপসা গরম অব্যাহত থাকতে পারে। দিনের তাপমাত্রা কমলেও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকবে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুসারে পর্যাপ্ত পানি খাওয়া, দুপুরে রোদ এড়িয়ে চলা, হালকা রঙের ও সুতির পোশাক পরা, শিশু ও বয়স্কদের বিশেষ যত্ন নিতে হবে। প্রয়োজনে ছাতা ও টুপি ব্যবহার করতে হবে।