Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

ডিলিমিটেশন বিল ঘিরে ভারতে নতুন তৎপরতা

Published June 3, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Jennifer Anderson - banglabeacon.com

Foto : Jennifer Anderson - banglabeacon.com

ডিলিমিটেশন বিল ঘিরে নতুন রাজনৈতিক ক্রমবর্ধন

Banglabeacon.com – ড ল ম ট শন ব ল - ভারতের রাজনৈতিক ক্ষেত্রে ডিলিমিটেশন বিলের চারপাশে অবিলম্বে ক্রমবর্ধন ঘটছে, যা কেবল আইন প্রণয়নের জন্য নয়—বরং বিজেপি এবং অন্যান্য কেন্দ্রীয় ক্ষমতার কৌশলগত পুনর্গঠনের প্রতিশ্রুতি। এই বিল সম্পর্কে সংসদে আগে ব্যর্থতা হয়েছিল, কিন্তু আগের নির্বাচনে সাম্প্রতিক সাফল্যের পর বিজেপি আবার নতুন প্রস্তাব গড়ে তুলছে, যার মাধ্যমে বিভিন্ন অঞ্চলের রাজনৈতিক সংখ্যা পরিবর্তনের প্রবণতা চালু করার চেষ্টা করছে।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর তথ্য অনুযায়ী, আগেরবার দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন পাওয়া বাকি ছিল না, এবার বিজেপি আঞ্চলিক দলগুলির সহযোগ অর্জনের জন্য একটি পরিকল্পনা গোটাচ্ছে। এই প্রস্তাব এখন সাংবিধানিক বিতর্কের বিষয় ছাড়া হয়েছে—অন্যান্য দলের স্থান ও ঐক্য নির্ধারণের জন্য কৌশল গড়ে তুলছে কেন্দ্র।

ডিলিমিটেশন বিল প্রস্তাব করে উত্তর ভারতের আসন বাড়তে পারে, যার ফলে তামিলনাড়ু সহ কিছু রাজ্যের প্রতিনিধিত্ব কমার আশঙ্কা চলছে। কংগ্রেস এখন তাদের সাথে জোটবব্ধ ছিল, কিন্তু সাম্প্রতিক নির্বাচনে তারা বিজয় থালাপাতির দল টিভি-কে সমর্থন দিয়েছে। তাই এই বিষয়ে কংগ্রেসের উপর তাদের দৃষ্টিভঙ্গি স্বাভাবিক হয়ে গেছে। সরকার যদি স্পষ্ট আশ্বাস দেয় যে দক্ষিণে আসন কমে না যাবে, তাহলে এই সমস্যার প্রতিরোধ থেকে সরে আসার সম্ভাবনা হারিয়ে যাচ্ছে।

তৃণমূল কংগ্রেস চাপের মুখে

পশ্চিমবঙ্গে জয়ের পর বিজেপি বুঝে গেছে রাজ্যভিত্তিক দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে জাতীয় রাজনৈতিক বিন্যাসে বড় পরিবর্তন সম্ভব। তাই এই প্রবণতা কেবল বিল পাশ করার জন্য নয়, বরং দেশের রাজনৈতিক ক্ষমতার ভারসাম্য নিজেদের পক্ষে নিয়ে আনার সুপরিকল্পিত পদক্ষেপ। বিজেপি এখন পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে ভাঙন তৈরি করার জন্য ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করছে। এই পরিস্থিতিতে ডিলিমিটেশন বিল এখন সাংবিধানিক প্রস্তাব থেকে বড় রাজনৈতিক দাবা খেলা হয়েছে, যেখানে আঞ্চলিক দলগুলির অবস্থান শেষ পর্যন্ত ফল নির্ধারণ করবে।

অন্যদিকে, "ওয়ান নেশন, ওয়ান ইলেকশন" বিলের প্রস্তাব নিয়ে একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক প্যাকেজের অংশ হিসেবে চালু করা হচ্ছে। এখানে প্রশাসনিক সংস্কার ও রাজনৈতিক প্রতিরোধের জন্য চাপ চালু করার সুরু ঘটছে। বিজেপি এই বিলের মাধ্যমে বিরোধীদের প্রতিরোধ ভেঙে দিতে চাইছে, যার ফলে ডিএমকে নরম হয়ে গেলে টিএমসি দুর্বল হয়ে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে—এই সময় বিজেপির পক্ষে সরাসরি সুবিধে হবে।