Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

‘ঝুঁকিতে’ সিএনজি খাত, কমিশন বাড়ানোর দাবি

Published June 6, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Mark Hernandez - banglabeacon.com

Foto : Mark Hernandez - banglabeacon.com

সিএনজি খাতে চাপ বৃদ্ধির পরিস্থিতি, কমিশন বৃদ্ধির দাবি আগামী জুন পর্যন্ত প্রতিক্রিয়া প্রয়োজন

Banglabeacon.com – ঝ ক ত স এনজ খ ত - সিএনজি বিক্রি খাতে দীর্ঘ এক দশক ধরে কমিশন বা মার্জিন বৃদ্ধি করা হয়নি। ধারাবাহিক গ্যাস-বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে এই খাত চরম সংকটে পড়েছে। বিজয়নগরে অনুষ্ঠিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে স্টেশন মালিকদের নেতারা তাদের কমিশন বৃদ্ধি করার আবেদন জানায়।

ব্যবসায়ীরা ঘোষণা করেন যে বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে কমিশন পুনর্নির্ধারণ না করলে ব্যবসা আর সম্ভব নয়। তাদের দাবি হল কমিশন বর্তমান ৮ টাকা থেকে মোট ১৩.৯৬ টাকা করে ওঠানো। প্রতি ঘনমিটারে ৫.৯৬ টাকা বৃদ্ধি ঘটবে।

ব্যবসায়ীদের পক্ষে দুটি যৌক্তিক কারণ উল্লেখ করা হয়: প্রথমে বিদ্যুৎ মূল্য বৃদ্ধির সমন্বয় করা। সরকার গত ২০১৫ থেকে বিদ্যুতের দাম সাত বার বৃদ্ধি করেছে। সর্বশেষ বৃদ্ধির ফলে প্রতিটি সিএনজি স্টেশনের মাসিক বিদ্যুৎ বিল ২০% বৃদ্ধি পাবে। এটি উৎপাদন খরচ সমন্বয়ের জন্য কমিশন ২.৪৬ টাকা বৃদ্ধি করার প্রয়োজন। দ্বিতীয় কারণ হল মূল্যস্ফীতি এবং পরিচালন ব্যয়। বর্তমান বাজারে শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি এবং বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হারের ঊর্ধ্বগতির কারণে পরিচালন খরচ আরও ৩.৫০ টাকা বৃদ্ধি করা আবশ্যক।

সংগঠনের নেতারা বলেন, সিএনজি খাতে ক্রয় ও বিক্রয় মূল্য সরকার দ্বারা নির্ধারিত থাকায় ব্যবসায়ীরা গ্রাহকদের ওপর চাপ আরও বৃদ্ধি করতে পারছেন না। ফলে প্রায় ৫০০০ কোটি টাকার পরিবেশবান্ধব বিনিয়োগ এখন চরম লোকসান ও ধ্বংসের মুখে পড়েছে।

“আমরা জনগণের ভোগান্তি চাই না। কিন্তু লোকসান দিয়ে স্টেশন চালানো আর সম্ভব নয়,” সংগঠনের মহাসচিব ফারহান নূর লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন সংগঠনের সভাপতি মনোরঞ্জন ভক্ত সহ কেন্দ্রীয় নেতারা। তারা তীব্র চেতাবন দেন যে কমিশন বৃদ্ধি না করলে আগামী জুলাই থেকে কঠোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। এই বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত আগামী জুন পর্যন্ত প্রতিক্রিয়া প্রয়োজন।

তিন বছর ধরে টেকনিক্যাল কমিটি কর্তৃক গঠিত উচ্চপর্যায়ের টেকনিক্যাল কমিটি পূর্বে কমিশন/মার্জিন বৃদ্ধি করার চূড়ান্ত সুপারিশ জানায়। কিন্তু বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) বাড়তি �