Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

জামালপুরে ইটভাটার চিমনি গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

Published May 14, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Mark Hernandez - banglabeacon.com

Foto : Mark Hernandez - banglabeacon.com

জামালপুরে ইটভাটার চিমনি গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

অপারেশনের প্রক্রিয়া ও প্রভাব

Banglabeacon.com – জ ম লপ র ইটভ ট র - বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকেলে জামালপুর শহরের ডাকপাড়া চৌরাস্তা সংলগ্ন স্টার ব্রিকস নামে একটি ইটভাটার মালিককে বিধ্বংস করে জামালপুর পরিবেশ অধিদপ্তরের ভ্রাম্যমাণ আদালত দ্বারা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এ অপারেশনে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজ্জাদ জাহিদ রাতুল প্রধান হিসাবে প্রশাসনের পাশাপাশি পরিবেশ কর্মকর্তাদের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ইটভাটার চিমনি ধ্বংসের পর একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়, যেখানে জামালপুর পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক এ কে এম সামিউল আলম কুরসি বলেন, প্রতিদিন আঁকাবাঁকা আকারে চলা ইটভাটার কারণে জেলার বাতাস দূষিত হচ্ছে এবং পরিবেশ ক্ষতি করা হচ্ছে। অভিযান চালানোর পর ইটভাটার মালিককে সরাসরি অপসারণ করা হয়।

পরিবেশ অধিদপ্তরের তরফে পরিচালিত অভিযানে অবৈধ ইটভাটার সংলগ্ন স্থায়ী চিমনি অপসারণের মাধ্যমে জেলার বাতাস সম্পর্কে স্পষ্ট প্রকাশ করা হয়। কোনও বিশেষ আদেশ ছাড়া কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল ইটভাটার নির্মাণ স্থান হিসেবে বিবেচিত হয়। অভিযানের ফলে ইটভাটার মালিককে আরও তিন লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এটি প্রথম ধরনের প্রতিবেদন হিসাবে একটি মার্কিন নীতি বাস্তবায়নের পর ইটভাটার নির্মাণ বন্ধ করে দেওয়া হয়।

বিধ্বংসের পেছনে পরিবেশ ক্ষতি ও আর্থিক প্রভাব

জামালপুরের ইটভাটার চিমনি ধ্বংসের প্রক্রিয়া কর্মকান্ড পরিবেশ ক্ষতি রোধের লক্ষ্যে চালিয়েছিল জামালপুর পরিবেশ অধিদপ্তর। এটি পরিচালিত হয় আইন অনুযায়ী স্থায়ী চিমনি গুঁড়িয়ে দিয়ে জামালপুর ইটভাটার মালিকদের বিরুদ্ধে ক্রিয়া করে। এই পরিবেশ ক্ষতি ও আর্থিক ক্ষতি দুটি প্রক্রিয়া ইটভাটার অপারেশনে সরাসরি সংযুক্ত হয়। এতে জামালপুরের বাতাস ও জল গু�ঁড়িয়ে দেওয়া হয়। ইটভাটার চিমনি অপসারণের মাধ্যমে আঁকাবাঁকা আকারে পরিবেশ ক্ষতি করা হচ্ছে এবং আর্থিক ক্ষতি ঘটছে জেলার বিশেষ জনগণের প্রতি। এ অপারেশনে পরিবেশ অধিদপ্তর ইটভাটার স্থায়ী চিমনি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

জামালপুর পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযানে স্থায়ী চিমনি গুঁড়িয়ে দিয়ে ইটভাটার কার্যক্রম বন্ধ করা হয়। বিশেষ করে ইটভাটার মালিকদের জরিমানা করে জামালপুরের বাতাস দূষণ বন্ধ করে দেওয়া হয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে জামালপুরে একটি ইটভাটার চিমনি দিয়ে বাতাস দূষিত হচ্ছে এবং পরিবেশ ক্ষতি ঘটছে। জামালপুর পরিবেশ অধিদপ্তর এ অভিযানে কর্মকর্তাদের কাজ করেছে। জামালপুর ইটভাটার চিমনি ধ্বংসের পর কোনও স্থায়ী চিমনি থাকবে না।

জামালপুর পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক এ কে এম সামিউল আলম কুরসি বলেন, পরিবেশ ক্ষতি রোধের জন্য ইটভাটার স্থায়ী চিমনি ধ্বংস করা হয়েছে। জামালপুর ইটভাটা�