Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

গ্রামীণ ব্যাংকের সুদহার বাণিজ্যিক ব্যাংকের সমান করতে হাইকোর্টের রুল, বিবাদী ইউনূস

Published May 18, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Michael Brown - banglabeacon.com

Foto : Michael Brown - banglabeacon.com

গ্রামীণ ব্যাংকের সুদহার বাণিজ্যিক ব্যাংকের সমান করতে হাইকোর্টের রুল, বিবাদী ইউনূস

Banglabeacon.com – গ র ম ণ ব য ক - গ্রামীণ ব্যাংকের সুদহার বাণিজ্যিক ব্যাংকের সমান করার আদেশ হিসেবে হাইকোর্ট একটি রুল জারি করেছে। সোমবার (১৮ মে) গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্র ঋণের সুদ বাণিজ্যিক ব্যাংকের তুলনায় বেশি হওয়ার কারণ জানতে চেয়ে আদালতের বেঞ্চ রুল প্রদান করে। আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মাসুদ আর. সোবহান এবং ফাতেমা চৌধুরী।

আদালতের রুলের উদ্দেশ্য ও মূল বিষয়

রুলে বিবরণ দেওয়া হয়েছে গ্রামীণ ব্যাংকের মাইক্রোক্রেডিট প্রকল্প মাধ্যমে ভূমিহীন ঋণগ্রহীতাদের জন্য আরোপিত সুদ বাণিজ্যিক ব্যাংকের তুলনায় গুরুতর শোষণমূলক। এই বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং অন্যান্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাজে হাত দেওয়া দরকার বলে আবেদন করা হয়েছে। আদালত মূল বিষয়টি জনস্বার্থে বিবেচনা করে রুল জারি করেছে।

বিবাদী হিসেবে আবেদনকারীদের পরিচিতি

রিট আবেদনে চারটি পক্ষ নেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব, গ্রামীণ ব্যাংকের বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং গ্রামীণ ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আদালত ইউনূসকে বিবাদী হিসেবে ক্ষমতার ব্যবহার করার অভিযোগে সরাসরি বিবেচনা করেছে।

বিবাদী হিসেবে আবেদনকারীদের মধ্যে প্রথম অভিযোগ হলো পদের মেয়াদ লঙ্ঘনের ঘটনা। অধ্যাদেশ অনুযায়ী ব্যবস্থাপনা পরিচালকের মেয়াদ ছিল ৬০ বছর, কিন্তু তৎকালীন অর্থমন্ত্রী এম. সাইফুর রহমানের কারসাজি মাধ্যমে ইউনূসের নিয়োগের মেয়াদ বেশি বিস্তার করা হয়েছে। আদালত এই ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী পক্ষে গুরুতর অপরাধের ঘটনা চিহ্নিত করেছে।

আবেদনে আরও অভিযোগের মধ্যে রয়েছে কর ফাঁকি এবং ক্ষমতার অপব্যবহার। গ্রামীণ ব্যাংকের সুদ বৃদ্ধির ঘটনা দেখে ইউনূস নিজের করীন আত্মীয়দের জন্য একটি ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করেছেন। এই ট্রাস্ট ফান্ডের অর্থের ওপর আয়কর দেওয়ার ঘটনার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রস্তুত করা হয়েছে।

আদালত রুলে ইউনূসের পদ থেকে বিদায় নেওয়ার সময় বেআইনি ভাবে কোনো কিছু করা হয়নি বলে আদালত স্থির করেছে। গ্রামীণ ব্যাংকের সুদ হার বাণিজ্যিক ব্যাংকের সমান করা জরুরী বলে আদেশ জারি করা হয়েছে। এটি মানুষের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

গ্রামীণ ব্যাংকের সুদহার নিয়ন্ত্রণে অপরাধ দূর করতে হাইকোর্টের রুল গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আবেদনকারীদের মতে ইউনূসের ক্ষমতার ব্যবহার গ্রামীণ ব্যাংকের বৈষম্য বৃদ্ধি করেছে।

আদালত গ্রামীণ ব্যাংকের সুদ বাণিজ্যিক ব্যাংকের সমান করার প্রয়োজনিতা পুনরাবৃত্তি করে মূল বিষয়টি অনুমোদন করেছে। এই রুলের মাধ্যমে গ্রামীণ ব্যাংকের ঋণ সংক্রান্ত নীতি পরিশোধন করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এখন পরবর্তী পদক্ষেপে কোনো কিছু দূর ক