Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

গোয়ালন্দে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন

Published May 13, 2026 · Updated July 21, 2026 · By John Williams - banglabeacon.com

Foto : John Williams - banglabeacon.com

গোয়ালন্দে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন

Banglabeacon.com – গ য় লন দ খ ল খনন - গোয়ালন্দে খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করা হয়েছে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং জলাবদ্ধতা দূরীকরণের প্রতিক্রিয়া হিসেবে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিকেলে রাজবাড়ী-১ আসনের সংসদ সদস্য আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম এ উদ্বোধন করেন গোয়ালন্দ উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের মরা পদ্মা এলাকায়। এই প্রকল্পটি জনগণের জীবন উন্নয়নের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারাবাহিকতার প্রতিনিধিত্ব করে। কৃষি ক্ষেত্রে পানির স্থায়িত্ব বৃদ্ধি করা এবং মৌসুমী আবহাওয়ার সাথে মানুষের সমন্বয় করা হবে তা এ কর্মসূচির প্রধান লক্ষ্য।

কর্মসূচির বিস্তার

উপজেলার কর্মকর্তারা ঘোষণা করেন যে খাল খনন কার্যক্রম ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ইজিপিপি প্রকল্পের আওতায় পরিচালিত হচ্ছে। প্রথম খাল খনন কাজ নাজিরুদ্দিন পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিশ্বনাথপাড়া বেড়িবাঁধ পর্যন্ত সম্পন্ন হবে। এই খালটির দৈর্ঘ্য প্রায় ১ দশমিক ৬ কিলোমিটার হবে এবং কাজের ব্যয় ২১ লাখ ৬৭ হাজার টাকা।

অন্য একটি খাল পুনঃখনন করা হবে উজানচর হাবিল মন্ডল পাড়া থেকে ফৈজদ্দিন মাতুব্বর পাড়া পর্যন্ত। এটির দৈর্ঘ্য প্রায় ০ দশমিক ৯৩০ কিলোমিটার হবে। এই কাজের ব্যয় ধরা হয়েছে ২৭ লাখ ৭ হাজার টাকা। সাধারণ কৃষকদের স্থানীয় জল পরিবহন এবং বন্যা প্রতিরোধের ক্ষেত্রে এই খাল খনন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

প্রতিমন্ত্রীর মন্তব্য

গোয়ালন্দে খাল খনন কর্মসূচি পানির প্রবাহ স্বাভাবিক করে দেবে এবং জলাবদ্ধতা কমিয়ে স্থানীয় কৃষকদের সেচ ব্যবস্থার সুবিধা বৃদ্ধি করবে। আমাদের দেশে কৃষি ও গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন জনগণের জীবন স্থায়ী করার জন্য অপরিহার্য।

প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম বলেন যে ১৯৭৭ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আমলে এ ধরনের কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। এখন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিপালনে এ প্রকল্প দেশব্যাপী বিস্তার পেয়েছে। তিনি জানান যে এ কাজটি মুক্তিযুদ্ধের পর কৃষিক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় জনগণের সমালোচনা

গোয়ালন্দে খাল খনন কর্মসূচি প্রস্তাব দেওয়ার পর স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে উত্সাহ বৃদ্ধি হয়েছে। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী কৃষক সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে কাজের সম্ভাব্য ফলাফল নিয়ে আলোচনা হয়। তিনি বলেন যে এ প্রকল্পটি তাদের জমি বিপর্যয় দূর করবে এবং উৎপাদন বৃদ্ধির পথ প্রশস্ত করবে।

খাল খনন কর্মসূচি জনগণের জীবন মুক্তি এবং সামাজিক প্রতিষ্ঠা করে দেওয়ার প্রতিক্রিয়া হিসেবে চূড়ান্ত পরিকল্পনা করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাথী দাস বলেন যে এ প্রকল্পটি জনপ্রিয় হবে এবং সম্পূর্ণ জনগণ প্রতিক্রিয়া দিবে এ কাজের প্রতি। গোয়ালন্দে খাল খনন কর্মসূচি জনগণের জীবন সহজ করে দেবে এবং জনপ্রিয় প্রকল্প হিসেবে পরিচিত হবে।

প্রকল্পের গুরুত্ব ও সম্ভাব্য প্রভাব

গোয়ালন্দে খাল খনন কর্মসূচি দেশের কৃষি ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপ�