Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

গফরগাঁওয়ে যুবককে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় মামলা

Published May 24, 2026 · Updated July 21, 2026 · By John Taylor - banglabeacon.com

Foto : John Taylor - banglabeacon.com

গফরগাঁওয়ে যুবককে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় মামলা

Banglabeacon.com – গফরগ ওয় য বকক গল ক ট - গফরগাঁওয়ে যুবককে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় গুরুতর ঘটনার প্রতি গুরুত্ব দিয়ে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে কাওছার আলম (৪৪) নামে এক যুবকের গলা কেটে হত্যার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত চলছে। শুক্রবার (২২ মে) রাতে তার স্ত্রী নাজমা বেগম নামে বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে পাগলা থানায় মামলা দায়ের করেন। স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার সকালে পাগলা থানার মশাখালী ইউনিয়নের দরিচাইরবাড়িয়া গ্রামে একটি ভিটায় অবস্থিত গাছে হাত বেঁধে অবস্থায় এক ব্যক্তির মৃতদেহ দেখা যায়। পুলিশ তদন্তে গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ময়না-তদন্তের জন্য পাঠান। পূর্বে এই ধরনের হত্যা ঘটনা গফরগাঁওয়ের জনগণের মধ্যে উদ্বেগ জাগিয়েছিল।

বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য

নিহত কাওছার আলম দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার দেবীপুর গ্রামে মো. জামেদ আলীর ছেলে। তিনি গাজীপুরের শ্রীপুর এলাকায় পরিবারের সঙ্গে বাস করতেন এবং একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত ছিলেন। নাজমা বেগম জানান, বুধবার রাত আটটার দিকে কাওছার বাসায় খাবার খাওয়ার পর তিনি বেরিয়ে যান এবং বলেন বাইরে কেউ তার জন্য অপেক্ষা করছেন। তার পর তিনি ফিরে আসেননি এবং তাঁর মুঠোফোন বন্ধ হয়ে যায়। ঘটনার সম্পূর্ণ বিবরণ বিশ্লেষণের জন্য পুলিশ তদন্ত চলছে এবং ঘটনার আসল কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তদন্তের প্রক্রিয়া ও পুলিশের মন্তব্য

পাগলা থানার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল মোতালেব জানান, হত্যার পদ্ধতি থেকে পূর্বপরিকল্পিত ঘটনা হতে পারে। তিনি বলেন, ধরন দেখে মনে হয় পেশাদার খুনিচক্র এর সঙ্গে জড়িত। ব্যক্তিগত শত্রুতার কোনো সূত্র আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

গফরগাঁওয়ে যুবককে গলা কেটে হত্যার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় মানুষের মধ্যে আশঙ্কা ছড়িয়ে পড়েছে। কাওছার আগে দুটি বিয়ে করেছিলেন। প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়েছে এবং দ্বিতীয় স্ত্রী মারা যান। দেড় বছর আগে তিনি নাজমাকে বিয়ে করেন। তাদের দুই মাস বয়সী একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। নাজমা বেগম আরও জানান, কাওছার স্ত্রী হিসেবে তার স্ত্রী গ্রামে একটি ঘরে রয়েছেন। ঘটনার পর থেকে তারা পরিবারের সদস্যদের কাছে সাহায্য চাইছেন।

পাগলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন ও জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে পুলিশের তদন্ত চলছে। বিশেষ করে গফরগাঁওয়ে যুবককে গলা কেটে হত্যার ঘটনার মামলার প্রতি পুলিশ কর্মকর্তাদের গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পুলিশ তদন্তের সময় প্রাথমিক তথ্য পেলে ঘটনার মূল কারণ খতিয়ে দেখার জন্য সংগ্রহ করছেন।

গফরগাঁওয়ে যুবককে গলা কেটে হত্যার ঘটনার বিপাকে স্থানীয় সমাজ উদ্বিগ্ন। নাজমা বেগম বলেন, কাওছার আলম সরাসরি ব্যক্তিগত শত্র