Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

কৃত্রিম জনমত তৈরির ধারা ও বট বাহিনী

Published May 17, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Robert Taylor - banglabeacon.com

Foto : Robert Taylor - banglabeacon.com

কৃত্রিম জনমত তৈরির ধারা ও বট বাহিনী

Banglabeacon.com – ক ত র ম জনমত ত র - বট বাহিনীর বিস্তার সামাজিক গতিপথে বিপর্যয় সৃষ্টি করছে। সামাজিক মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কৃত্রিম মতামত সৃষ্টি করতে এরা বিশেষ ক্ষমতা প্রদর্শন করছে। আমাদের সামাজিক বা রাজনৈতিক অভিভাবকদের মনে হতে পারে এটি আরও ভয়াবহ প্রভাব ফেলছে না, কিন্তু নাগরিক সমাজের সদস্য হিসেবে আমাদের কৃত্রিম মতামত সম্পর্কে প্রায় অজ্ঞাত অবস্থায় থাকা অসম্ভব।

বট বাহিনী রাজনৈতিক বিষয়গুলো নির্দিষ্ট দলের দিকে টেনে নিয়ে যায়। মেঘনাদ ছাড়া মেঘের আড়ালে যুদ্ধ করে থাকে এই ছদ্মবেশ ধারণকারী বাহিনী। তাদের মতামত কৃত্রিম ভাবে সৃষ্ট হয় এবং সাধারণ মানুষের কাছে সত্য হিসেবে গ্রহণ করা হয়। কারণ বট বাহিনী ছায়া দিয়ে সবাইকে আকর্ষণ করে।

বট বাহিনী কী এবং কীভাবে কাজ করে?

বট বাহিনী কেবল সফটওয়্যার নির্ভর নয়, মানব নিয়ন্ত্রিতও হতে পারে। মূলত এরা দু'প্রকার হতে পারে—স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি দ্বারা কাজ করে কিংবা মানুষ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হতে পারে। এদের প্রতিক্রিয়া করতে সক্ষম হয় বিশেষ ক্ষমতা রাখে। কখনো কখনো ত্রিশ থেকে চল্লিশটি পর্যন্ত অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করা হয় এদের কাছে।

রোবট থেকে ছদ্ম বা গুপ্ত বাহিনী হলো বট বাহিনী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানুষের মতো আচরণ করতে এরা সক্ষম।

বট বাহিনী ক্রমাগত সামাজিক সংস্কৃতি গভীর সংকটের দিকে পরিচালন করছে। এরা তথ্য বিকৃতি করে একটি দেশকে এগিয়ে নিয়ে যায় সমাজ, রাজনৈতির স্বাভাবিক বিকাশের পথ রুদ্ধ করছে।

বট বাহিনী কর্মক্ষেত্র হলো সামাজিক মাধ্যম। এরা গালাগালি, অপপ্রচার, চরিত্রহনন এবং বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা চালায় রাজনৈতিক দল, করপোরেট গোষ্ঠী বা স্বার্থান্বেষী মহলের নির্দেশে। মানুষের স্বাধীন চিন্তাশক্তিকে প্রভাবিত করে এবং বিভ্রান্তিকে সত্যের বিকল্প হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চায় এই বট বাহিনী।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও এআই দ্বারা বট বাহিনীর সক্ষমতা দৃঢ় হয়ে আসছে। মানবসদৃশ ভাষায় কথা বলতে এরা সক্ষম হয়েছে। মানুষ বটের মধ্যে পার্থক্য করা দুরুহ হয়েছে।

বিশ্লেষণে দেখা গেছে বাংলাদেশে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক উত্তাপ যত বেড়েছে, বট বাহিনীর সক্রিয়তাও তত দৃশ্যমান হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী আর কৃত্রিম বটের মধ্যে পার্থক্য সৃষ্টি করা দুরুহ হয়েছে।