Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

কুষ্টিয়ায় বোরো ধান-চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ

Published May 12, 2026 · Updated July 21, 2026 · By John Williams - banglabeacon.com

Foto : John Williams - banglabeacon.com

কুষ্টিয়ায় ২০২৬ খাদ্য সংগ্রহ অভিযানে লক্ষ্যমাত্রা ঘোষণা

মঙ্গলবার সভায় ধান, গম ও চাল সংগ্রহের পরিকল্পনা প্রকাশ

Banglabeacon.com – ক ষ ট য় য় ব র - কুষ্টিয়া জেলায় ধান ও গম সংগ্রহ অভিযান উপলক্ষে জেলা খাদ্য সংগ্রহ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। মঙ্গলবার (১২ মে) জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে গৃহিত পরিকল্পনায় ধান, গম এবং চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। সভার সভাপতি ছিলেন কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জাকির হোসেন।

সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বর্তমান মৌসুমে ধান ও গম সংগ্রহের মূল্য প্রতি কেজি ৩৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া আতপ চালের দর প্রতি কেজি ৪৮ টা�কা এবং সিদ্ধ চালের দর ৪৯ টাকা। ধান ও গম সংগ্রহ অভিযান চলবে ৩ মে থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত। চাল সংগ্রহ শুরু হবে ১৫ মে থেকে যা চলবে সেই সীমাতে।

এ অভিযানের লক্ষ্যমাত্রা প্রকাশ করা হয়েছে যাতে জেলায় মোট ৩ হাজার ৬৩৮ মেট্রিক টন ধান, ২ হাজার ৩৫৯ মেট্রিক টন গম, ৯০৮ মেট্রিক টন আতপ চাল এবং ৩৭ হাজার ৭৪৬ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল সংগ্রহ করা হবে। সদরে ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ১ হাজার ৩৮৩ টন, মিরপুরে ৯৪১ টন এবং কুমারখালীতে ৫৫৭ টন ধান। হোকসাসা, ভেড়ামারা ও দৌলতপুর উপজেলা থেকেও ধান সংগ্রহ করা হবে।

“খাদ্য সংগ্রহ অভিযানে কোনো প্রকার অনিয়ম সহ্য করা হবে না। কৃষকদের সঠিক মূল্যে ফসল বিক্রি করতে এবং মানসম্মত চাল সরকারি গুদামে সরবরাহ করতে প্রশাসন কঠোর নজরদারি করবে,” বলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জাকির হোসেন।

এ সভায় উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. আল-ওয়াজিউর রহমান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক মো. ওয়াহিদুজ্জামান এবং জেলা খাদ্য সংগ্রহ কমিটির অন্যান্য সদস্যরা।

জেলায় মোট ১৯০টি অনুমোদিত চালকল রয়েছে। এর মধ্যে ১২৯টি হাস্কিং মিল এবং ৬১টি অটো রাইস মিল। মিল মালিকদের চুক্তিনামা সম্পন্ন করতে হবে ১৫ মে থেকে ২৫ মে পর্যন্ত। প্রাধান্য দেওয়া হবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত কৃষকদের। আবেদনকারীদের সংখ্যা লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করলে লটারির মাধ্যমে কৃষক বাছাই করা হবে।