Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

কুষ্টিয়ায় সেনাসদস্যদের বাসের সঙ্গে যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৩০

Published June 1, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Jennifer Taylor - banglabeacon.com

Foto : Jennifer Taylor - banglabeacon.com

কুষ্টিয়ায় সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৩০ সেনাসদস্য

মুখোমুখি ধাক্কার পরিণতি

Banglabeacon.com – ক ষ ট য য স ন বেলা সাড়ে ১২টার দিকে কুষ্টিয়া-পাবনা মহাসড়কের তালবাড়ীয়া এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাস ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের বহনকারী বাসের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এতে একজন ব্যক্তি মৃত হয়েছেন এবং সেনাসদস্যদের সহ কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন। যান দুটি ভেঙে পড়ার পর স্থানীয় সম্প্রদায় আহতদের উদ্ধারে সহায়তা করে।

দুর্ঘটনার পরিস্থিতি ও আহতদের অবস্থা

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত ব্যক্তির নাম জিয়াউল ইসলাম (৪৫)। তার বাসা ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত। তিনি সংঘর্ষে যাত্রীবাহী বাসটির আরোহী ছিলেন। অন্যদিকে সেনাবাহিনীর বাসটি বগুড়া সেনানিবাস থেকে খুলনার জাহানাবাদ সেনানিবাসের দিকে যাচ্ছিল। এই সংঘর্ষে সেনাসদস্যদের সংখ্যা প্রায় ৪০ থেকে ৪২ জন। তদারকি চলছে এবং আহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ইকবাল হাসান জানান, মৃত ব্যক্তির মৃত্যু ঘোষণা করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। হাসপাতাল প্রকাশ করেছে যে দুর্ঘটনার পরিণতি অবিস্মৃতিশীল হতে পারে।

“বগুড়া থেকে জামালপুরের দিকে যাওয়ার পথে বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগতির বাস আমাদের সরাসরি ধাক্কা দেয়। বাসের প্রায় সবাই কমবেশি আহত হয়েছেন।”

দুর্ঘটনার সময় ও স্থান

প্রতিবেদন অনুযায়ী দুর্ঘটনাটি ঈদের ছুটির পর ঘটেছে। সেনাবাহিনীর নতুন সদস্যদের নিয়ে বাসটি খুলনায় পৌঁছানোর জন্য যাচ্ছিল। এই সময় দুটি বাসের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। তালবাড়ীয়া এলাকার পথে যানবাহন গতিবিধি বিপর্যয় হয়েছে।

বাসের প্রায় সবাই আহত হয়েছেন এবং তাদের উপস্থিতির পর পুলিশ ও স্থানীয় সহায়তাকারীদের সহায়তা করা হয়েছে। মৃত ব্যক্তির নিকট হতাশার পর সামাজিক মাধ্যমগুলো দুর্ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণ প্রকাশ করে। এই বিপর্যয়ের পর স্থানীয় পরিবহন ব্যবস্থা প্রতিক্রিয়া দিয়েছে।

অনুসন্ধান ও দুর্ঘটনার কারণ

কুষ্টিয়া পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন জানান, সংঘর্ষে একজন বেসামরিক যাত্রী নিহত হয়েছেন। সেনাবাহিনীর বাসে প্রায় সবাই আহত হয়েছেন। পুলিশ কর্মকর্তারা দুর্ঘটনার কারণ খুঁজছেন এবং স্থানীয় পরিস্থিতি তদন্ন করছেন। যাত্রীবাহী বাসটি জামালপুর নগর বাহিনীর দিকে যাচ্ছিল বলে জানা গেছে।

এই ঘটনায় সেনা ও বেসামরিক যাত্রীদের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটার কারণ হতে পারে দৃষ্টি ভ্রম বা গতি নিয়ন্ত্রণের অভাব। তবে সঠিক কারণ নির্ধারণের জন্য তদন্ন চলছে। আহতদের চিকিৎসা প্রক্রিয়া ক্রমাগত চলছে এবং সেনাবাহিনীর প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।