Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

কি ছিলো সেই ফোনালাপে: ট্রাইব্যুনালে বাজলো সালমান-পলকের সেই অডিও | সংবাদ

Published May 19, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Robert Taylor - banglabeacon.com

Foto : Robert Taylor - banglabeacon.com

ট্রাইব্যুনালে উঠে এসেছে সালমান-পলকের বিশেষ আলাপ

দুর্বৃত্ত বানানোর পরিকল্পনা কেবল ইন্টারনেট বন্ধ রাখা নয়

Banglabeacon.com – ক ছ ল স ই ফ ন - ২৪ জুলাই আন্দোলনের সময় পুরো দেশ উত্তাল হয়ে ওঠে, যখন ছাত্র ও জনতা স্বৈরাচারের তখত কাঁপিয়ে চলে। এই সময় ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রাখার নির্দেশনা ছিল তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের কাছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সেই সংকটকালীন পরিস্থিতির সাক্ষ্য হিসেবে একটি ফোন কথোপকথন প্রস্তুত হয়। সালমান এফ রহমান ও সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের মধ্যে এই কথোপকথনে আন্দোলনকারীদের দমানোর চালানো হয়।

সালমান এফ রহমান: তোমার কি খবর? জুনাইদ আহমেদ পলক: জি, ভালো। সালমান: তুমি ইন্টারনেট চালু করবে না এখন। কোনোভাবেই না। সালমান: পরে দেখা যাবে। ঠিক আছে? আদারওয়াইজ কথাগুলো ঠিক আছে তো?

আন্দোলনকারীদের দমানোর সম্পূর্ণ যুক্তি বাজিয়ে ওই ফোন কথোপকথনে সালমান বলেন, "টিভি চ্যানেলকে আন্দোলনকারী বলা যাবে না। এদেরকে এখন দুর্বৃত্ত হিসেবে আখ্যায়িত করতে হবে। ছাত্ররা ওদের সঙ্গে নেই। সো স্টেপ চেঞ্জ, নো মোর আন্দোলনকারী।" আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এই অডিও প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপিত হয়।

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আগে বিশেষ আলাপ

৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের সময় শেখ রেহানা সালমান এফ রহমানকে ছেড়ে যাওয়ার তাগিদ দিয়েছিলেন। ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশন তার সম্পূর্ণ আলাপ প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করে।

কর্নেল রাজীব: সালামালাইকুম স্যার। স্যার কর্নেল রাজীব বলছি। রেহানা আপা একটু কথা বলবেন। ওভার টু ওভার স্যার। কর্নেল রাজীব: রেহানা আপা, রেহানা আপা। রেহানা: স্লামালাইকুম ভাইয়া। সালমান: হ্যাঁ, ওয়ালাইকুম সালাম। রেহানা: জি আপনি কই? সালমান: আমি আমার বাসায়। সালমান: থাকবো না, হ্যাঁ ঠিক আছে। রেহানা: আমরা অন্য জায়গায় আছি। আমরা মানে ববি, টিউলিপ ওকে কনভিন্স করছে। কল না করতে পারলেও আল্লাহ যদি বাঁচায় রাখে কথা হবে। সালমান: আচ্ছা, তাহলে ও কি বলবে মার্শাল ল ডিক্লেয়ার করতেছে না সে?

সালমান ও রেহানার মধ্যে আলাপে আওয়ামী লীগ সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের মন্ত্রীদের সেফ জোনে নেওয়া সম্পর্কে আলোচনা হয়। এই মামলায় মূলত ছাত্র-জনতার সহি�