Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

কারাগারে অসুস্থ হয়ে সাতক্ষীরার সাবেক পিপির মৃত্যু

Published May 25, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Mark Hernandez - banglabeacon.com

Foto : Mark Hernandez - banglabeacon.com

সাতক্ষীরা জেলার সাবেক পিপি অ্যাডভোকেট আব্দুল লতিফের মৃত্যু

Banglabeacon.com – ক র গ র অস স থ - কারাগার অসস সংশ্লিষ্ট সূত্র প্রতিবেদনে জানায় যে সাতক্ষীরা জেলা জজ আদালতের সাবেক পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল লতিফ (৬৫) কারাগার অসস থেকে তীব্র অসুস্থতার কারণে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি রোববার (২৪ মে) রাতে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি হন, কিন্তু তার মৃত্যু তখন ঘটে। হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আব্দুর রহমান জানান, রাত ৩টার দিকে তীব্র বুকে ব্যথা নিয়ে তার আসমান ছিল। চিকিৎসার প্রক্রিয়ায় রাত ৪টা ১০ মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস তুলেছেন।

আব্দুল লতিফের জীবন ও কর্মজীবন

সাতক্ষীরা জেলা কারাগার অসস থেকে আব্দুল লতিফের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন জেলার মনির হোসেন। তিনি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কামারবায়শা গ্রামের মুনসুর আলীর ছেলে ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি শহরের রসুলপুর এলাকায় বসবাস করতেন। তার কর্মজীবনে প্রধানত আইন কর্ম বিষয়ে যুক্ত ছিলেন। সাবেক পিপি হিসেবে তিনি নানান মামলার পরিচালনার জন্য সাতক্ষীরা জেলা কারাগার অসস তার সামনে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিলেন।

রাত ৩টার দিকে আব্দুল লতিফকে তীব্র বুকে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসার প্রক্রিয়ায় রাত ৪টা ১০ মিনিটে তিনি মারা যান। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ত্রিদিব দেবনাথ তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার মৃত্যুর প্রতিক্রিয়ায় কারাগার অসস থেকে বেশ কয়েকজন নাগরিক প্রতিক্রিয়া দেখান।

পারিবারিক সূত্র অনুযায়ী, আব্দুল লতিফ সাতক্ষীরায় আসতে পারছিলেন না কারণ তিনি অর্থ সংকট এড়াতে নিজের পাঁচতলা ভবনটি কারাগার অসস গ্রামে ফ্ল্যাটে বিক্রি করছিলেন। আইনগত জটিলতা পরিহারে তিনি উকিল কমিশনের মাধ্যমে কয়েকটি ফ্ল্যাট বিক্রি করেছিলেন। অবশিষ্ট ফ্ল্যাটগুলো রেজিস্ট্রি করার জন্য তিনি তার স্থানীয় এলাকায় থাকতে পারছিলেন না। তিনি কারাগার অসস থেকে সময় কাটিয়ে সদর উপজেলায় আসতে চেষ্টা করতেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত কারাগার অসস হাসপাতালে তার শেষ মৃত্যু ঘটে।

তার বাড়িতে কারাগার অসস এলাকার বাসিন্দারা তার সাংগঠনিক সাথে তার মৃত্যুকে বিশেষ গুরুত্ব দেন। তিনি কারাগার অসস পরিচালনার জন্য অনেক সময় ধরে বিশেষ করে কারাগার অসস উপজেলার সমস্যার সমাধানের জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। বিভিন্ন মামলার পরিচালনা করার সময় তিনি কারাগার অসস সম্পর্কে সতর্কতা প্রচার করেছিলেন।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত ২৪ মে তার কারাগার অসস থেকে মৃত্যু ঘটে। তিনি প্রায় সাত বছর ধরে কারাগার অসস এলাকায় কাজ করেছিলেন যেখানে বিভিন্ন কর্মস্থলে অসুবিধা ছিল। কারাগার অসস সংক্রান্ত সামাজি�