Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

এপ্রিলে সড়কে ঝরল ৫১০ প্রাণ, পরিবহন খাত সংস্কারের দাবি যাত্রী কল্যাণ সমিতির | সংবাদ

Published May 14, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Michael Brown - banglabeacon.com

Foto : Michael Brown - banglabeacon.com

এপ্রিলে সড়কে ঝরল ৫১০ প্রাণ, পরিবহন খাত সংস্কারের দাবি যাত্রী কল্যাণ সমিতির

Banglabeacon.com – এপ র ল সড়ক ঝরল ৫১০ প - এপ্রিল মাসে সড়ক দুর্ঘটনার কারণে ৫১০ জন মানুষ মৃত্যুবরণ করেছেন এবং আহত হয়েছেন এক হাজার ২৬৮ জনের বেশি মানুষ। এই তথ্যটি বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির দুর্ঘটনা মনিটরিং সেলের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে। সমিতির তথ্য অনুযায়ী এই মাসে মৃতের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

পরিবহন খাতে প্রতিবেদন বিস্তারিত করলেন মোজাম্মেল হক চৌধুরী

গত বুধবার প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মোজাম্মেল হক চৌধুরী এই প্রতিবেদনের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেছেন। তিনি জানান যে বর্তমান পরিবহন খাত পরিচালনার পদ্ধতি আপাদমস্তক সংস্কারের দাবি রয়েছে। আমলাতন্ত্রের পরিবর্তে দেশি এবং বিদেশি পরিবহন বিশেষজ্ঞদের কর্তৃত্বে খাতটি পরিচালনা করলে সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং যাতায়াতের দুর্ভোগ দূর করা সম্ভব হবে।

মোট দুর্ঘটনার সংখ্যা ও বিভাগগুলোর তুলনা

বিশ্লেষণ অনুযায়ী এপ্রিলে সড়ক, রেল ও নৌপথ মিলিয়ে মোট ৫৮৬টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে সব মিলিয়ে ৫৬৩ জন মানুষ নিহত এবং ১ হাজার ২৭৯ জন আহত হয়েছেন। সড়কে দুর্ঘটনার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। চট্টগ্রাম বিভাগে মোট ১৩৫টি দুর্ঘটনা ঘটেছে, যাত্রী কল্যাণ সমিতির তথ্য অনুযায়ী সেখানে মৃত্যুর সংখ্যা ১৩৭ জন। ময়মনসিংহ বিভাগে দুর্ঘটনার সংখ্যা সবচেয়ে কম হয়েছে, যেখানে মোট ১৭টি দুর্ঘটনা ঘটেছে এবং মৃতের সংখ্যা ১৮ জন।

এই প্রতিবেদনে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মৃত হয়েছেন ১৪২ জন, যা মোট মৃতের সংখ্যার ২৭.৮৪ শতাংশ। নিহতদের মধ্যে পথচারী, চালক, শিক্ষার্থী এবং মহিলাদের সংখ্যা বিশ্লেষণ করে প্রকাশ করা হয়েছে। এতে পথচারীদের মৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

বর্তমান পরিবহন খাতের পরিচালনার পদ্ধতি সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে। খাত সংস্কার করা হলে সড়কে দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।

পরিবহন খাতের মাধ্যমে প্রতিবেদনের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে যে সড়কে দুর্ঘটনার কারণে নিহতদের মধ্যে পথচারী হয়েছেন ৯৯ জন, চালক ৮২ জন, শিক্ষার্থী ৫৬ জন এবং মহিলা ৫২ জন। আহতদের মধ্যে ৪৭ জন শিশু এবং ২৫ জন পরিবহন শ্রমিক রয়েছেন। যাত্রী কল্যাণ সমিতি বলেছে যে এ খাতে সংস্কার ছাড়া আরও অনেক মানুষের জীবন হারানো হতে পারে।

তিনি আরও বলেন যে সড়ক দুর্ঘটনার কারণে অনেক বিষয় দায়ী। সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ছোট যানবাহনের অবাধ চলাচল, রোড সাইন ও ডিভাইডার না থাকা, ফিটনেসবিহীন গাড়ি এবং অদক্ষ চালকের কারণে। বেপরোয়া গতি এবং অযথা পরিবহন নীতি দায়ী হয়েছে। এই দুর্ঘটনা কমাতে হলে সার্বিক পরিবর্তন দরকার বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিলে সড়ক দুর্ঘটনার মান বৃদ্ধি পেয়েছে যা মৃত্যু ও আহত সংখ্যার বৃদ্ধি ঘটাচ্ছে। বিশেষ করে ছোট যানবাহনের মাধ্যমে এ সংখ্যা সবচেয়ে বেশি হয়েছে। সমিতির দাবি, সড়ক সংস্কার বিষয়টি প্রতিদিনের যাতায়াত সম্পর্কে কম গুরুত্ব দেয়ার কারণে পরিবহন খাত তথ্য প্রকাশের সময় মৃত হিসাবে নাম আসে না।