Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

একসঙ্গে ৫ শিশুর জন্ম, চিকিৎসকদের মুখে হাসি

Published May 15, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Robert Taylor - banglabeacon.com

Foto : Robert Taylor - banglabeacon.com

একসঙ্গে ৫ শিশুর জন্ম, চিকিৎসকদের মুখে হাসি

Banglabeacon.com – একসঙ গ ৫ শ শ র জন - বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) নিওনাটোলজি ও ফিটোম্যাটারনাল মেডিসিন বিভাগের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (এনআইসিইউ) থেকে পাঁচটি স্বল্প ওজনের নবজাতককে সুস্থ করে বাড়ি পাঠানো হয়েছে। সেই সাথে এটি বাংলাদেশে একটি বিরল ঘটনা হিসেবে চিকিৎসকদের মুখে হাসি ছড়ায়।

১৩ মে শহীদ ডা. মিল্টন হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী নবজাতকদের কোলে তুলে দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএমইউর বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, চিকিৎসক ও রেসিডেন্ট চিকিৎসকেরা।

বিএমইউর অবসটেট্রিকস অ্যান্ড গাইনোকোলজি বিভাগ, ফিটোম্যাটারনাল মেডিসিন বিভাগ ও নিওনাটোলজি বিভাগের চিকিৎসাসেবা ও চিকিৎসক-নার্সদের দক্ষতার প্রশংসা করেন উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী।

গত ৫ এপ্রিল সার্জারি ও মেডিসিন বিভাগের ডিন অধ্যাপক ডা. মো. ইব্রাহীম সিদ্দিক এবং নার্সিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মো. মনির হোসেন খান সহ অন্যান্য ডিন ও কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে শিশু অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মো. আতিয়ার রহমান বলেন, নিওনাটোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল মান্নান জানান, প্রাপ্তির সময় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো জোর দেওয়া হয়। সেগুলো হলো বুকের দুধ খাওয়ানোর জন্য জন্মের এক ঘণ্টার মধ্যে শুরু করা, সিপ্যাপ সাপোর্ট, হাত ধোয়া নিয়মিত করা, ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার এবং প্রতিবেশীদের সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য প্রশিক্ষণ।

প্রসবের সময় শিশুদের ওজন ছিল যথাক্রমে ১ হাজার ৪২০ গ্রাম, ১ হাজার ২৫০ গ্রাম, ১ হাজার ৪১০ গ্রাম, ৯৮৫ গ্রাম ও ১ হাজার ৬২৫ গ্রাম। শিশুদের অবস্থা স্থিতিশীল হলে ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার চালু করা হয়। পাঁচ দিন পর তাদের সুস্থতার ভিত্তিতে বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

৩০ দিন বয়সে ফলো-আপে দেখা যায় শিশুদের ওজন ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেই সময় তাদের ওজন যথাক্রমে ১ হাজার ৭০০ গ্রাম, ১ হাজার ৫২০ গ্রাম, ১ হাজার ৬৪৫ গ্রাম, ১ হাজার ২১৫ গ্রাম ও ১ হাজার ৮২৫ গ্রাম হয়েছে। সকলেই সুস্থ ছিল।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত ও সঠিকভাবে হাত ধোয়া অভ্যাস অনুসরণ করায় সংক্রমণের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কম রাখা সম্ভব হয়েছে। সীমিত সম্পদের মধ্যেও এনআইসিইউ কেয়ার, বুকের দুধ খাওয়ানো