Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

ঈদে চামড়ার দাম: গরুতে ২, খাসিতে ৩ টাকা বেশি

Published May 13, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Jennifer Taylor - banglabeacon.com

Foto : Jennifer Taylor - banglabeacon.com

ঈদে চামড়ার দাম: গরুতে ২, খাসিতে ৩ টাকা বেশি

Banglabeacon.com – ঈদ চ মড় র দ ম - সরকার ঈদুল আজহার কাছাকাছি কোরবানি পশুর চামড়ার দাম উন্নীত করেছে। এ বছর লবণযুক্ত গরুর চামড়ার বিক্রি দাম প্রতি বর্গফুটে ২ টাকা এবং খাসির চামড়ায় ৩ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে। বুধবার (১৩ মে) বিকেলে সচিবালয়ে কোরবানি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণ সভার পর বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির প্রেস ব্রিফিংয়ে এ ঘোষণা করেন।

নতুন দাম নির্ধারণ

নতুন দাম অনুযায়ী, লবণযুক্ত গরুর চামড়া ঢাকার মধ্যে প্রতি বর্গফুটে ৬২ থেকে ৬৭ টাকায় বিক্রি হবে। ঢাকার বাইরে দাম পড়বে ৫৭ থেকে ৬২ টাকা। গত বছর ঢাকায় দাম ছিল ৬০-৬৫ টাকা এবং ঢাকার বাইরে ৫৫-৬০ টাকা।

খাসির চামড়ার দাম সারা দেশে ২৫-৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বকরির চামড়া বিক্রি হবে ২২-২৫ টাকায়। গত বছর খাসির চামড়া ছিল ২২-২৭ টাকা এবং বকরির দাম ২০-২২ টাকা।

সরকারি উদ্যোগ ও সিদ্ধান্ত

‘প্রতিবছর প্রায় ১ কোটি পশু কোরবানি দেওয়া হয়। এসব পশু থেকে সংগ্রহ করা চামড়া দেশীয় শিল্পে ব্যবহৃত হয়।’ বলে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান।

প্রশিক্ষণ এবং লবণ সরবরাহে সরকারের ২০ কোটি টাকা খরচ হবে। সরকার জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ে লবণ পৌঁছে দেওয়া হবে যাতে চামড়া নষ্ট না হয়। মাদ্রাসাগুলোতেও সংরক্ষণের জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির আরও বলেন, চামড়া পাচার রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। প্রয়োজন হলে কিছু সময়ের জন্য ‘ওয়েটব্লু’ চামড়া রফতানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। সরকার পরবর্তীতে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করবে।

তিনি জানান, ‘সমন্বিত উদ্যোগে চামড়া শিল্পকে এগিয়ে নেওয়া হবে।’

চামড়া ব্যবসায়ীদের মতামত

চামড়া ব্যবসায়ীরা দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্তকে স্বাগতিজ্ঞ বলে মনে করেন। তাঁদের মতে, বাড়তি মূল্য চামড়া সংগ্রহ ও লবণকরণের খরচের সামঞ্জস্যপূর্ণ।

অন্যদিকে চামড়া শিল্পের উদ্যোক্তারা আশা করছেন, এবার চামড়া নষ্টের ঘটনা কমবে এবং মানসম্মত চামড়ার জোগান বৃদ্ধি পাবে। গত বছর কোরবানি সময় অপর্যাপ্ত লবণ ও সংরক্ষণ ব্যবস্থার অভাবে বিপুল পরিমাণ চামড়া নষ্ট হয়েছিল।

সংশ্লিষ্টরা সরকারি তৎপরতা ও দাম বৃদ্ধির ফলে সেই হার কমার আশা প্রকাশ করেন।