Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

ইসলামী ব্যাংকে অস্থিরতা, চেয়ারম্যান-এমডির পদত্যাগ

Published May 24, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Patricia Jackson - banglabeacon.com

Foto : Patricia Jackson - banglabeacon.com

ইসলামী ব্যাংকে পুনরায় অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়েছে

Banglabeacon.com – ইসল ম ব য ক অস থ - ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশে আবারো অস্থিরতা শুরু হয়েছে। ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষে বড় ধরনের সংঘাত সৃষ্টি হয়েছে। গতকাল ব্যাংকটির সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু সেটি সম্পন্ন হয়নি। ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, রোববার (২৪ মে) দুপুরে ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ওমর ফারুক খাঁন চেয়ারম্যান বরাবর পদত্যাগপত্র জমা দেন। সেই সাথে চেয়ারম্যান ড. জোবায়দুর রহমানও পদত্যাগ করেন। গতকাল সন্ধ্যায় বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র সংবাদকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

পদত্যাগ প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়েছে

ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওমর ফারুক খাঁন গণমাধ্যমকে জানান, চেয়ারম্যানের অব্যাহত চাপের কারণে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে এসেছেন। এটি ব্যাংকের পর্ষদে ওঠার কথা ছিল, কিন্তু পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়নি এবং চেয়ারম্যান পদত্যাগ করায় আবেদনটি অনুমোদিত হয়নি।

ব্যাংকের পরিচালনা ও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক প্রভাব ও অনিয়ম বন্ধ করতে হবে এবং বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এস আলম গ্রুপ থেকে স্বতন্ত্র পরিচালকদের নিয়োগ দেয়া হয়। তখন গভর্নর ছিলেন অর্থনীতিবিদ আহসান এইচ মনসুর।

ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ বিতর্ক নিয়ে মানববন্ধন

ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক ফোরাম রোববার (২৪ মে) মতিঝিলে মানববন্ধন করে হস্তক্ষেপের প্রতিবাদ জানিয়েছে। সকাল সাড়ে ১০টায় ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়ের সামনে কর্মসূচি শুরু হয়। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার নিয়ে ব্যাংকের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

তৃতীয় ব্যাংকের দাবি ও আমানতের নিশ্চয়তা

মানববন্ধনে চার দফা দাবি তুলে ধরা হয়। তারা দাবি করেন, ব্যাংকের এমডি অপসারণের পর চেয়ারম্যানকেও অপসারণ করা হবে। দলীয় ও বেআইনি নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ করা হবে, আমানতের পূর্ণ নিশ্চয়তা দিতে হবে এবং এস আলমকে শাস্তির আওতায় আনা হবে। গ্রাহকদের আমানতের অর্থ ফেরত দেওয়া হবে।

অর্থনৈতিক অবস্থা ও স্বতন্ত্র পরিচালনা

২০১৭ সালে ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিল এস আলম গ্রুপ। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তাদের সরিয়ে স্বতন্ত্র পরিচালকদের নিয়োগ দেয়া হয়। ব্যাংকটির বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৬ সালে মুনাফা ছিল প্রায় ৪৪৭ কোটি টাকা। এর পর থেকে তা নেমে ছুটি হয়ে যায় ১৩৭ কোটি টাকায়। খেলাপি ঋণের হার ছিল ৪ দশমিক ২৫ শতাংশ, যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৯ শতাংশে। ব্যাংকটির এখন খেলা�