Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

‘আদালতে আসতে ভালো লাগে’, ক্ষোভ প্রকাশ করে বিচারককে বললেন লতিফ সিদ্দিকী | সংবাদ

Published May 14, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Jennifer Anderson - banglabeacon.com

Foto : Jennifer Anderson - banglabeacon.com

আদালতে আসতে ভালো লাগে, ক্ষোভ প্রকাশ করে বিচারককে বললেন লতিফ সিদ্দিকী | সংবাদ

আদালতে আসতে ভালো লাগে বলে নিজেকে সমর্থন করলেন লতিফ সিদ্দিকী

Banglabeacon.com – আদ লত আসত ভ ল ল গ - সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলার ক্ষেত্রে আবদুল লতিফ সিদ্দিকী ক্ষোভ প্রকাশ করে বিচারককে জানালেন যে তিনি আদালতে আসতে ভালো লাগে। তিনি আইনজীবী মাধ্যমে আপেল করতে পারবেন না, হাজিরা দিতে হবে। আবেদন মঞ্জুর হওয়ার জন্য ৬ মাস সময় লাগে বলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা প্রস্তাব মঞ্জুর করেন। এ সময় লতিফ সিদ্দিকী বলেন, তিনি আদালতে আসবেন এবং হাজিরা দিবেন।

‘আমি আদালতে আসব, হাজিরা দিব। আদালতে আসতে ভালো লাগে, অভ্যাস হয়ে গেছে।’

আইনজীবী মাধ্যমে আপেল করার বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন আবদুল লতিফ সিদ্দিকী

বুধবার মামলার তারিখ ধার্য ছিল। আদালতে হাজিরা দেন লতিফ সিদ্দিকী। পূর্বে আইনজীবী মাধ্যমে আবেদন করা হয়েছিল তাঁর হাজিরা মওকুফ করার জন্য। তাঁর আদালতে আসতে ভালো লাগে এবং এটি তাঁর প্রকৃত আপেল করার উপায় হবে। বিচারক তাঁর প্রস্তাব মঞ্জুর করেন।

সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা করে শাহবাগ থানার এসআই তৌফিক হাসান প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। পরবর্তী দিন হিসাবে আগামি ২৪ জুন প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে বলে পুলিশের এসআই শাহ আলম জানান। আদালতে আসতে ভালো লাগে এমন মন্তব্য আবারও তিনি করেন।

গোলটেবিল বৈঠকে হট্টগোল ও গ্রেপ্তার ঘটনা

২৮ আগস্ট সকাল ১০টায় একটি গোলটেবিল বৈঠক আয়োজন করা হয়। সেগুনবাগিচায় বেলা ১১টায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি প্রতিবেদনের আয়োজন করে। প্রতিবেদনে অংশ গ্রহণকারী কয়েকজনকে লাঞ্ছনা করে। হট্টগোল করে সভাস্থলে ঢুকে পড়েন এক দল ব্যক্তি। এর মধ্যে দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়। বৈঠকে অংশ নেওয়া কয়েকজনকে বের করে দেওয়া হয়। আবদুল লতিফ সিদ্দিকী ও অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমানকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। পরে পুলিশ দ্বারা ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আদালতে আসতে ভালো লাগে বলে নিজেকে সমর্থন করার পর লতিফ সিদ্দিকী অপর একটি মামলার তারিখ ধার্য করেন। এসআই আমিরুল ইসলাম সন্ত্রাস বিরোধী আইনে আদালতে আসতে ভালো লাগে এমন ক্ষেত্রে মামলা করেন। মামলায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। ছাড়া বাকি ১৫ জন হলেন: মো. আব্দুল্লাহ আল আমিন (৭৩), শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন (৫৫), মঞ্জুরুল আলম (৪৯), কাজী এ টি এম আনিসুর রহমান বুলবুল (৭২), গোলাম মোস্তফা (৮১), মো. মহিউল ইসলাম ওরফে বাবু (৬৪), মো. জাকির হোসেন (৭৪), মো. তৌছিফুল বারী খান (৭২), মো. আমির হোসেন সুমন (৩৭), মো. আল আমিন (৪০), �