Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

আজহারীর ‘ডিপফেইক’ ভিডিও বানিয়ে প্রতারণা, গ্রেপ্তারের পর দুই আসামি রিমান্ডে | সংবাদ

Published May 16, 2026 · Updated July 21, 2026 · By John Taylor - banglabeacon.com

Foto : John Taylor - banglabeacon.com

আজহারীর ডিপফেইক ভিডিও ব্যবসায় দুই আসামি গ্রেপ্তার

Banglabeacon.com – আজহ র র ড পফ ইক ভ - পুলিশ এখন পর্যন্ত ইসলামি বক্তা মিজানুর রহমান আজহারীর ছবি ও কণ্ঠ ব্যবহার করে তৈরি করা যৌন উত্তেজক ওষুধ প্রচারের মামলায় দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ছিদ্দিক আজাদ তাদের জালে বন্দি করার পর শুক্রবার তিন দিনের রিমান্ড অনুমোদন দিয়েছেন। গ্রেপ্তার করা হয়েছে আব্দুর রহমান মানিক ও ফুরকান মিয়া।

গত মাসে দশটি আসামি গ্রেপ্তার হয়েছিল

বৃহত্তর প্রতারণার চক্রের আগে গত ২৪ এপ্রিল একাধিক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তাদের বিরুদ্ধে বর্তমানে চালু আছে তদন্ত। পল্টন থানার এসআই শামিম হাসান বলেন, আসামিদের এআই ও ডিপফেইক প্রযুক্তির মাধ্যমে ডিজিটাল জালিয়াতি করতে হুবহু সাজে সাজে পরিচিত বুদ্ধিমান প্রক্রিয়া অনুসরণ করে। তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, এই চক্র দেশব্যাপী সক্রিয় ছিল এবং তারা ফেইসবুক বিজ্ঞাপন করার জন্য ডলারের মাধ্যমে অর্থ পরিশোধ করত।

তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, 'আসামিরা এআই ও ডিপফেইক প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে আজহারীর চেহারা ও কণ্ঠ নকল করত। চক্রটি ফেইসবুক পেইজ ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পণ্য বুস্ট করত এবং পাঠাও ও স্টিডফাস্ট কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ক্যাশ অন ডেলিভারিতে পণ্য প্রেরণ করত।'

মামলার উদ্ভব

গত ২৩ এপ্রিল বিলাল হোসেন সাইবার নিরাপত্তা আইনে মামলাটি করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, আসামিদের দীর্ঘদিন ধরে সুপরিকল্পিতভাবে ডিজিটাল জালিয়াতি চালিয়ে আসছিল। তারা আজহারীর চেহারা ও কণ্ঠ নকল করে যৌন উত্তেজক ওষুধের প্রচার করত।

প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রুকুনজ্জামান বলেন, 'আসামিরা জামিন প্রার্থনা করেছিল এবং রিমান্ডের বিরুদ্ধে আইনজীবী প্রতিবাদ করেছিল। রাষ্ট্রপক্ষ তাদের রিমান্ডে নিয়ে জেরা করতে চাইছে।'

মামলায় আরও বলা হয়েছে, সাধারণ মানুষ আজহারীর কথায় বিশ্বাস করে এসব ভিডিও সত্য বলে মনে করত। এ কারণে অর্ডার দেওয়া হত। আসামিদের চক্রের শিকড় কতদূর বিস্তৃত হয়েছে তা খুঁজে বার করার জন্য তাদের রিমান্ডে নিয়ে জেরা করছে পুলিশ। তদন্তে প্রকাশ পেয়েছে যে, অপরাধীদের চক্রে সাধারণ মানুষ নিয়ে সুসংগঠিত কাজ চালানো হত যেমন 'আজহারী শপ', 'ডক্টর সেবা' ও 'হালাল শপ' নামে বেশি দুই দশকের মতো ভুয়া ফেইসবুক পেইজ ও ওয়েবসাইট ব্যবহার করেছিল।