Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

অভিযোগ অস্বীকার আইনজীবীর, ব্যবসায়ীকে নোটিস | সংবাদ

Published May 22, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Michael Brown - banglabeacon.com

Foto : Michael Brown - banglabeacon.com

ব্যবসায়ী ও আইনজীবীর মধ্যে আইনি বিবাদ

আইনজীবী অভিযোগ অস্বীকার করেছেন

Banglabeacon.com – অভ য গ অস ব ক র - ব্যবসায়ী কে এম সোহেলের বিরুদ্ধে নোটিস পাঠানো হয়েছে, যাতে তার মুখে কথা বলা হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টের বিচারক ও আদালতকে ম্যানেজ করে পক্ষে রায় আনার জন্য ৫ কোটি টাকার বেশি ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল। তবে অ্যাডভোকেট মো. আবুল হাশেম এই অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন।

হাশেম দাবি করেন, তিনি হাই কোর্টের আইনজীবীর পোশাক পরেননি, ওই ছবি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। আবার তিনি বলেন, “আমি হাই কোর্টে কোনো ব্যান্ড পরি নাই। যেটা করছে সেটা এআই দিয়ে করা হয়েছে।”

সুপ্রিম কোর্টের আটজন আইনজীবীর পক্ষে ব্যারিস্টার মো. সোলায়মান (তুষার) বৃহস্পতিবার (২১ মে) সিটি প্লাজা মার্কেটের বিষয়ে স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের আইজিপি, ডিএমপি কমিশনার ও দুদকের চেয়ারম্যানকে ইমেইলে আইনি নোটিস পাঠান।

ব্যবসায়ীর অভিযোগ ও আইনজীবীর প্রতিবাদ

ব্যারিস্টার মো. সোলায়মান জানান, “সোহেল বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা না নিলে সুপ্রিম কোর্টে রিট দায়েরসহ অন্যান্য আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” নোটিসে বলা হয়েছে, ফুলবাড়িয়া মার্কেটের সমিতির সভাপতি ও আদি বাংলা গার্মেন্টসের মালিক কে এম সোহেল অ্যাডভোকেট আবুল হাশেমকে অর্থ দিয়েছিলেন আইনসম্মত পথ ছাড়া।

আবুল হাশেম বলেন, “আমি হাই কোর্টে কোনো মামলায় ফাইলিং লইয়ার ছিলাম না এবং কোনো মামলার তদবিরও করি নাই। মার্কেটে আমার আত্মীয়স্বজনের দোকান ছিল, সেই হিসেবে আমি পরামর্শক ছিলাম। কিন্তু বিচারপতির নাম বেচা, ঘুষ দেওয়ার যে কথা বলছে— তা মিথ্যা। আমি তার কাছ থেকে কোনো টাকাই নিই নাই।”

ব্যবসায়ী সোহেলের বিরুদ্ধে বিচারপতির নাম ভাঙিয়ে টাকা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে হাশেম বলেন, “ওই টাউট মার্কেটের লোক থেকে ১ কোটি ৬৫ লক্ষ টাকা নিছে আমাকে দেবে বলে দিয়েছিল আমার থেকে ৪০ লাখ টাকা নেওয়া হয়েছে। সে আমাকে বলেছিল, মার্কেট থেকে আরও ৫ কোটি টাকা আদায় করে দেন। আমি বলেছিলাম, প্রশ্নই আসে না। ইভেন কি তার একটা ভুয়া পাওয়ার অব অ্যাটর্নি ঢোকাতে বলেছিল আমাকে, আমি রাজি হইনি। এটাই তার সাথে আমার জেদ।”

মানহানি মামলার হুঁশিয়ারি

আবুল হাশেমের পক্ষে কথা বলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুস আলী আকন্দ। তিনি জানান, “আবুল হাশেম সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট নন, তিনি জজ কোর্টের ঢাকা বারের নিয়মিত সদস্য। আসল ঘটনা হলো, তিনি অবসরের টাকা থেকে ৪০ লাখ টাকা চেক মারফত দিয়েছিলেন। সেই টাকা না পাওয়ায় তিনি একটি চেকের মামলা করেন, যে মামলার আসামি এই অভিযোগকার�