Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

অবাস্তব রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ও অতিরিক্ত উন্নয়ন ব্যয় অর্থনীতিকে চাপে ফেলবে: দেবপ্রিয় | সংবাদ

Published May 19, 2026 · Updated July 21, 2026 · By John Taylor - banglabeacon.com

Foto : John Taylor - banglabeacon.com

অবাস্তব রাজস্ব লক্ষ্য ও উন্নয়ন ব্যয় অর্থনৈতিক চাপ বাড়িয়ে দিবে: দেবপ্রিয়

Banglabeacon.com – অব স তব র জস ব লক - সংবাদ সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য এখনও বাস্তব পরিস্থিতি সঙ্গে মিলে যাওয়া বাজেট প্রণয়নের আহ্বান জানান। তিনি জানান যে ক্ষমতা অর্জনের তিন-চার মাস পার হয়েছে কিন্তু অর্থনৈতিক স্থিতির সঠিক বিশ্লেষণ দেখা যায় নি।

সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত এসডিজি বাস্তবায়ন সংলাপে তিনি দাবি করেন যে আর্থিক হার বৃদ্ধি ও প্রকল্প বাস্তবায়নে নীতি ধারাবাহিকতা ব্যবহার করে কোন স্পষ্ট পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হয়নি। অর্থনৈতিক ব্যয় ও আয়ের হিসাব বাস্তব সম্মত না হলে আগামী বছর টাকা ছাপার প্রবণতা বাড়তে পারে।

“দেশ এখন মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, সুদের হার কমানো বা কর্মসংস্থান বাড়ানোর ক্ষেত্রে স্পষ্ট পরিকল্পনা ছাড়া অর্থনৈতিক স্থিতিকে আরও বেশি চাপ আরোপ করতে পারে।”

অতিরিক্ত ব্যয় ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি

তিনি আরও বলেন যে প্রাক্তিক ব্যয় এবং অতিরিক্ত উন্নয়ন ব্যয়ের কারণে বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি আরও সংকটপূর্ণ হতে পারে। তিনি কর্মসূচির প্রকাশ্য করেছেন যে বর্তমান সরকার প্রায় ৪০-৫০ শতাংশ এডিপি বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হয়নি। আবার এ কর্মসূচিতে নতুন ব্যয় যোগ করা হচ্ছে যাতে বাস্তবায়ন হয়।

তিনি আরও চেতামান করেন যে বাজেটে সেই সময়ে কয়েকটি ব্যয় নির্ধারণের চেষ্টা হচ্ছে যে অর্থ ছাড়া পরিচালন ব্যয় ও সরকারি বেতন কাঠামোর উপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এটি সরকারের উচিত হবে যে স্থিতিশীলতা কর্মসূচির মধ্যে আয়ের সীমার ভিতর ব্যয় নির্ধারণ করা।

দুর্নীতি ও বাণিজ্য চুক্তি

সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বাজেটে প্রকল্পের কার্যকারিতা এবং দুর্নীতির মাত্রা পরিমাপের প্রয়োজন রয়েছে। তিনি বলেন যে এক লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকার ব্যয় রয়েছে যা যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাণিজ্য চুক্তি শুল্ক ছাড়ের বিষয়ে নির্ভর করে।

“আগামী বাজেটে প্রায় এক লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকা ঋণের সুদ পরিশোধে ব্যয় হতে পারে। তাই ঋণনির্ভরতা কমানোর জন্য কর্মসূচি উন্নয়নের দিকে নজর দেওয়া উচিত।”

অন্যদিকে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডির অতিরিক্ত গবেষণা পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম খান। তিনি দাবি করেন যে আগামী অর্থবছরে রাজস্ব আহরণ লক্ষ্য স্থাপনে প্রায় ৪২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি প্রয়োজন হবে যা বর্তমান কাঠামোতে সম্ভবপর নয়। তিনি বলেন যে দেশে কোন বছরে রাজস্ব বৃদ্ধি করেছে বলে প্রমাণ পাওয়া যায় নি।

সংসদ সদস্য মাহ্‌মুদা হাবীবা ও বিকেএমইএ সাবেক স