AMP
Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

৯৯৯-এ ফোন দিয়ে ফেঁসে গেলেন জামাতা

Published June 29, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Jennifer Taylor - banglabeacon.com

Foto : Jennifer Taylor - banglabeacon.com

৯৯৯ এ ফোন দিয়ে ফেঁসে গেলেন জামাতা: এক যুবকের অস্বাভাবিক ঘটনা

Banglabeacon.com – ৯৯৯ এ ফ ন দ য় ফ - ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিয়ে মাদক বিষয়ে তথ্য প্রকাশ করে পুলিশের জালে ধরা পড়েছেন হাবিবুল ইসলাম ওরফে ঠান্টু (৩২ বছর). কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার কুন্টিরচর এলাকায় ঘটে এ ঘটনায় শ্বশুরকে মাদক দিয়ে ফাঁসানোর পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি। তবে আদালতের মাধ্যমে তার কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে। পুলিশ কর্মকর্তারা তার নিখুঁত তথ্যে নিশ্চিত হতে পেরেছেন যে এ ঘটনায় সত্যিকারো পুলিশের সহযোগিতা করা হয়েছে।

কারণ ও পরিস্থিতি কী ছিল?

হাবিবুল ইসলাম কয়েক বছর আগে কুন্টিরচর গ্রামের ফারুক হোসেনের মেয়ে স্ত্রী হন। বিয়ের পর থেকে তিনি মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন এবং স্ত্রী সঙ্গে বিপ্লব সৃষ্টি হয়। শেষ পর্যন্ত তালাকের নোটিশ পাঠানোর পর হাবিবুল স্বামী-স্ত্রী এবং শ্বশুরকে মাদক বিষয়ে অস্বাভাবিক তথ্য দিতে চাইলেন। তিনি রাতে কুন্টিরচর গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে বারান্দার গ্রিল কেটে ভেতরে ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট রেখে চলে গেলেন। তারপর তিনি নিজে সরাসরি আটক করার পরিকল্পনা করেছিলেন।

পুলিশের অভিযান ও তদন্ত

ফোন দিয়ে তথ্য প্রকাশের পর পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে মাদক উদ্ধার করে। গত রোববার রাতে হাবিবুলের সত্যিকারো অভিযুক্ত হওয়ার পর তাকে আদালতে পাঠানো হয়। মিরপুর থানা পুলিশ জানায় যে হাবিবুল এ ফোন দিয়ে মাদক বিষয়ে তথ্য প্রকাশ করে অভিযুক্ত হয়েছেন।

মাদক উদ্ধারের পর পুলিশ তদন্ত চালিয়ে হাবিবুলের অভিযোগে তার পরিবারে বিরোধ বিস্তার হয়েছে। কুষ্টিয়া জেলার কুন্টিরচর এলাকার বাসিন্দারা জানায় যে ফারুক হোসেন নিরীহ মানুষ এবং তিনি মাদক বিষয়ে যুক্ত ছিলেন না। তবে হাবিবুল স্বামী-স্ত্রী বিরোধ ও তালাকের ঘটনা প্রতিক্রিয়া দেওয়ার জন্য তার শ্বশুরকে ফাঁসানোর পরিকল্পনা করেছিলেন।

মাদক দিয়ে ফাঁসানোর প্রক্রিয়া

৯৯৯ এ ফোন দিয়ে জামাতা হাবিবুল এ ফোন দিয়ে মাদকের অবস্থান সম্পর্কে নিখুঁত তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে অত্যন্ত গোপনে ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট রেখে মাদকের পরিমাণ সম্পর্কে জানান। এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন যে তিনি সত্যিকারো জামাতা হিসেবে স্বীকার করেছেন যে শ্বশুরকে মাদক দিয়ে ফাঁসানো ছিল তার স্বামী ও শ্বশুরের মধ্যে কলহ কারণে।