২৬ দলিলে জালিয়াতির অভিযোগ : তদন্তের মুখে বাবা-ছেলে
ফেনীতে দলিল লেখক ও ছেলের বিরুদ্ধে জালিয়াতির তদন্ত শুরু
Banglabeacon.com – ২৬ দল ল জ ল য় ত - ফেনী সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে চলমান জাল দলিল তৈরি ও জমির শ্রেণি পরিবর্তনের মাধ্যমে রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই অনিয়মের পেছনে এক প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের জড়িত থাকার বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে, যার নেতৃত্বে রয়েছেন এক দলিল লেখক ও তার ছেলে। জেলা রেজিস্ট্রি অফিসের পক্ষ থেকে এই তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন ফেনী সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখক মো. শহীদ উল্লাহ খোকন এবং তার ছেলে শাহাদাত হোসেন। দীর্ঘদিন ধরে তারা জমি নিবন্ধনের ক্ষেত্রে জালিয়াতি ও সেবাগ্রহীতাদের হাঙ্গামা করে আসছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগের বিস্তারিত বিবরণ
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ ও তদন্তের নির্দেশপত্র থেকে জানা যায়, গত ২০ জুলাই জাহিদুল আলম নামের এক ব্যক্তি জেলা রেজিস্ট্রারের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। তিনি উল্লেখ করেন, গত বছরের আগস্ট মাসে একটি দলিল নিবন্ধনের জন্য গেলে খোকন ও তার ছেলে শাহাদাত সরকারি ফি বাইরে অতিরিক্ত ১ লাখ ৫৩ হাজার টাকা দাবি করেন। পরে জাহিদুল অন্য এক দলিল লেখকের মাধ্যমে কাজ করে নিশ্চিত হন যে ওই টাকা অবৈধভাবে দাবি করা হয়েছিল।
একই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে মোহাম্মদ হাওদার আলী শাহরিয়ার নামের আরেক ভুক্তভোগী অভিযোগ দাখিল করেছেন। তার অভিযোগে ২০১৮ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে রেজিস্ট্রি হওয়া ২৬টি নির্দিষ্ট দলিলের নম্বর উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, এসব দলিলে জমির শ্রেণি পরিবর্তন করে সরকারকে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। সেই সঙ্গে অভিযুক্তদের অবৈধ সম্পদের উৎস অনুসন্ধানেরও দাবি জানানো হয়েছে।
তদন্ত কমিটির গঠন ও কাজ
ফেনী জেলা রেজিস্ট্রার আবদুর রহমান মুহাম্মদ তামিম জানান, অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় পরশুরামের সাব-রেজিস্ট্রার প্রবাল কৃষ্ণ সাহাকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী ৬ সেপ্টেম্বরের (২০২৬) মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। তদন্তে ২০১৮ থেকে ২০২১ সালের ২৬টি দলিলের সহিমুহুরি নকল, খাজনা দাখিলা এবং এসএ ও বিএস পর্চা পর্যালোচনা করে রাজস্ব ফাঁকির বিষয়টি যাচাই করা হবে।
অভিযুক্তদের প্রতিক্রিয়া
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন,
আমাদের বিরুদ্ধে কে অভিযোগ দিয়েছে, তা জানা নেই। দলিল লেখক সমিতির নিয়ম মেনেই আমরা ফি নিই।
তার বাবা শহীদ উল্লাহ খোকন দাবি করেন,
রেজিস্ট্রার স্যারের সঙ্গে ব্যক্তিগত মনোমালিন্যের কারণে আমার বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। দীর্ঘ ৩৬ বছরের পেশাজীবনে এমন অভিযোগ কখনো আসেনি।
জেলা রেজিস্ট্রার আবদুর রহমান মুহাম্মদ তামিম বলেন,
প্রাথমিক অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর জালিয়াতির প্রমাণ মিললে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is ২৬ দল ল জ ল য় ত?২৬ দল ল জ ল য় ত is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does ২৬ দল ল জ ল য় ত matter?২৬ দল ল জ ল য় ত matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.