২০৩০ সালের মধ্যে ওলটপালট হতে পারে পৃথিবী | সংবাদ
Banglabeacon.com – ২০৩০ স ল র মধ য ওলটপ – কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বর্তমানে আর কল্পনার বাইরে থাকে না। এই প্রযুক্তি আমাদের দৈনন্দিন জীবনে অনেক জায়গায় ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং এখন আগামী দশকে পৃথিবীর পরিবেশে এক বৃহৎ পরিবর্তন আনতে পারে। এই পরিবর্তন আমাদের পরিচিত পরিবেশকে সম্পূর্ণ রূপে বদলে দেবে বলে সতর্ক করেছেন আন্তর্জাতিক একটি প্রতিবেদন।
বর্তমানে অফিসে কাজ করা, চিকিৎসা প্রদান করা বা জটিল গবেষণার জন্য এআই নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। কিন্তু এটি চালানোর জন্য যে বিপুল শক্তি প্রয়োজন হয়, সেটি পরিবেশ সম্পর্কে ভয়াবহ চাপ সৃষ্টি করছে। বিশেষজ্ঞরা আগামী ২০৩০ সালে ডাটা সেন্টারগুলির বিদ্যুৎ ব্যবহার এখন প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে বলে অনুমান করেছেন।
বিদ্যুৎ ক্ষুধা ছাড়াও এই ডাটা সেন্টারগুলোকে ঠান্ডা রাখতে কোটি কোটি গ্যালন পানি প্রয়োজন হয়। আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে শীতলীকরণের জন্য পানির চাহিদা সাধারণ মানুষের পানীয় জলের সাথে প্রতিযোগিতা করবে। এটি বিশেষ করে খরাপ্রবণ দেশগুলোতে মানবিক সংকট তৈরি করতে পারে।
প্রযুক্তি যত সহজলভ্য হয়, মানুষ তত বেশি ব্যবহার করে। এআই-এর ক্ষেত্রেও তাই ঘটছে। এটি যত উন্নত হচ্ছে, তার ব্যবহার বহুগুণ বাড়ছে এবং সেটি আমাদের সীমিত প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর আঘাত হানছে।
আরও কঠিন পরিস্থিতি হলো এই প্রযুক্তি বিশ্বের অল্প কয়েকটি দেশের হাতে করা হচ্ছে। ফলে ধনী এবং দরিদ্র দেশগুলোর মধ্যে বৈষম্য আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন এআই কোনো শত্রু নয়। উন্নত দেশগুলো যদি নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও টেকসই নীতি গ্রহণ করে, তবে প্রকৃতির এই কান্না থামবে এবং এআই-এর সুফল অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সুবিধাজনক হতে পারে।
অন্যথায় পৃথিবীর ওপর এক চরম হাহাকার ঘটতে পারে। যেমন গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন বৃদ্ধি পেয়ে জলবায়ু পরিবর্তন দ্রুত হবে। এআই এর ব্যবহার করতে হবে নবায়নযোগ্য উপাদান এবং সম্পদ সংরক্ষণের জন্য সতর্ক করা প্রয়োজন।
