Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

১,৪০০ কিমি ছুটে গিয়ে অধ্যাপিকাকে খুন, টার্গেট সম্পত্তি

Published June 8, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Robert Taylor - banglabeacon.com

Foto : Robert Taylor - banglabeacon.com

১,৪০০ কিমি ছুটে গিয়ে অধ্যাপিকাকে খুন, টার্গেট সম্পত্তি

Banglabeacon.com – ১ ৪০০ ক ম ছ ট গ - ১,৪০০ কিমি ছুটে গিয়ে খুনের ঘটনার পর দিল্লি পুলিশ চার রাজ্যে সাতটি দল চিরুনি তল্লাশি চালায়। ঘটনার স্থান হল দিল্লির পূর্বাঞ্চলের বসুন্ধরা এনক্লেভ এলাকায় সত্যম অ্যাপার্টমেন্ট। সেখানে অধ্যাপিকার হত্যার ঘটনার পর এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের লোভে কোটি টাকার সম্পত্তি দখলের জন্য এ আক্রমণ করা হয়। সন্দেহ এড়াতে দম্পতি নাবালক সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু সিসিটিভি ফুটেজের সামনে তাদের কৌশল অস্ফুট হয়ে যায়।

খুনের কারণ নির্ণয়ে গুরুতর সন্দেহ

হত্যার ঘটনার পর দিল্লি পুলিশ কোন সাধারণ ডাকাতি নয়, ব্যক্তিগত আক্রোশের ফল হতে বলে মনে করে। নিহত অধ্যাপিকার মাথায় গভীর ক্ষত এবং হাতের শিরার কাটা দেখা যায়। তাঁর বোন দেবারতি খবর পেয়ে বারবার ফোন করেও সাড়া পায়নি। সে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকেছিলেন। অদ্ভুত ব্যাপার হলো, ঘরে টাকা পয়সা বা গয়না কিছুই চুরি যায়নি। পুলিশ তখন বুঝতে পারে যে এটি শুধুমাত্র সম্পত্তি দখলের প্রতিশোধ ছিল।

দেবস্মিতা পাল দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিবাজি কলেজে কাজ করতেন। তাঁর সঙ্গে ২০২২ সালে বিচ্ছেদ হয়ে যায়। স্বামী বেঙ্গালুরুতে বাস করতেন। গ্রেপ্তারকৃত দম্পতি রামপ্রসাদ দাস ও বনশ্রী দাস বর্ধমানে নানার কাছে পাওয়া একটি বাড়িতে ভাড়া নিয়ে থাকতেন। সম্প্রতি তিনি ওই বাড়ি ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকেন। এর জেরে তারা খুনের পরিকল্পনা করেছিলেন।

মাস্ক পরা দম্পতি সিঁড়ি বেয়ে ওঠে সাততলায়। প্রায় আধঘণ্টা ভেতরে থাকার পর তারা পোশাক বদলে বেরিয়ে নিচে অপেক্ষমাণ গাড়িতে চড়ে চলে যায়। সঙ্গে ছিল তাদের নাবালক ছেলে। পুলিশ প্রথমে ওই গাড়ির চালককে ধরে তাদের সন্ধান পায়।

বোন দেবারতি জানিয়েছেন, ফোনে সাড়া না পেয়ে তিনি দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকেছিলেন। তাঁর ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার করার পর স্পষ্ট হয় যে খুনের ছক ছিল। এ ঘটনা বাংলা ভাষার অধ্যাপিকাদের বিরুদ্ধে কী প্রকার প্রতিশোধের চেষ্টা ছিল, তা নিয়ে আরও পরিসংখ্যান জনসাধারণের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।

তদন্তে নতুন পর্যায়ে যাওয়ার পর আরও গুরুতর খুন ঘটেছে

তদন্তের পর পুলিশ জানায় যে দম্পতি গুপ্ত পরিকল্পনা করেছিল খুন করা এবং সম্পত্তি দখল করার জন্য। তাদের নাবালক সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে যাওয়া কিছুটা মার্জিত ছিল। কিন্তু সেই সন্তান খুনের ঘটনার সাক্ষী হয়ে যায়। কেন তারা এ কার্যকলাপ করেছিল তা বিশ্লেষণ করতে হবে।

অধ্যাপিকার হত্যার ঘটনার পর তার দেহ ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার করা হয়। তাঁর গৃহে টাকা পয়সা বা গয়না কিছুই চুরি যায়নি। কেবল নিহত ব্যক্তির গৃহে আক্রমণ করা হয়। এ ঘটনার প্রতিক্রিয়া হিসেবে আরও গুরুতর সম্পত্তি বিতর্ক তৈরি হয়। নানার কাছে পাওয়া বাড়িটি প্রায় প্রতিদিন আক্রমণ হচ্ছিল।

টার্গেট সম্পত্তি কার ছিল তা নিয়ে তদন্ত অব্যাহত থাকে। এখনও পুলিশ এ খুনের পেছনে কে ছিল তা খুঁজছে। আরও কিছু ব্যক্ত