AMP
Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

১৩ খাল খননে বাঁচল ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা

Published August 16, 2026 · Updated August 16, 2026 · By Patricia Jackson - banglabeacon.com

Foto : Patricia Jackson - banglabeacon.com

নওগাঁয় খাল খননে অসাধারণ অর্থ সাশ্রয়

Banglabeacon.com – ১৩ খ ল খনন ব চল ১ - নওগাঁ জেলার গ্রামীণ এলাকায় পুনঃখননের মাধ্যমে যেসব খাল মৃতপ্রাণ হয়ে পড়েছিল, সেগুলোকে নতুন করে সচল করা হয়েছে। এই উন্নয়ন কাজের ফলে কৃষি ও পরিবেশের দৃশ্যপট বদলে গেছে। তবে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয়টি হলো আর্থিক স্বচ্ছতা। জেলার দশটি উপজেলায় তেরোটি খাল খননের কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর সরকারি কোষাগারে প্রায় এক কোটি চল্লিশ লাখ টাকা ফেরত পাঠানো হয়েছে। দুর্নীতির সম্ভাবনা থাকলেও সরকারি অর্থ সাশ্রয়ের এই ঘটনা এলাকায় বিরল নজির হিসেবে গণ্য হচ্ছে।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, তেরোটি প্রকল্পের আওতায় মোট ছাব্বিশ কিলোমিটার খাল খননের জন্য আট কোটি সত্তর লাখ ত্রিশ হাজার তিনশো সত্তর টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। নির্ধারিত নকশা অনুযায়ী কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর প্রকৃত ব্যয় হয়েছে সাত কোটি ত্রিশ লাখ পাঁচচল্লিশ হাজার তিনশো আটানব্বই টাকা। বাকি এক কোটি ত্রিশ লাখ নব্বই হাজার আট টাকা, যা প্রায় ষোলো শতাংশ, সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।

উপজেলাভিত্তিক সাশ্রয়ের হিসাব

উপজেলাভিত্তিক সাশ্রয়ের চিত্রে বদলগাছি উপজেলা সবার এগিয়ে। সেখানে দুটি প্রকল্পে প্রায় চল্লিশ লাখ সত্তর হাজার টাকা সাশ্রয় হয়েছে। নওগাঁ সদর উপজেলায় দুটি প্রকল্পে সাশ্রয় হয়েছে প্রায় চল্লিশ একলাখ চৌদ্দ হাজার টাকা। পোরশায় প্রায় তেরো লাখ টাকা এবং মহাদেবপুরে বারো লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকা সাশ্রয় হয়েছে। অন্যদিকে, মান্দা উপজেলায় দুটি প্রকল্পে ব্যয় প্রায় বরাদ্দের সমান হওয়ায় মাত্র ত্রিশ হাজার পাঁচশো একুশ টাকা সাশ্রয় হয়েছে।

নওগাঁ সদর উপজেলার শ্যামপুর ও রাণীনগরের দেওলা এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, খালের দুই পাড়ে পরিবেশবান্ধব গাছ রোপণ করা হয়েছে। বর্ষার পানি জমে থাকলেও কৃষকেরা এখন খালের পানি দিয়ে চাষাবাদ করতে পারছেন। মান্দার হারকিশোর গ্রামের কৃষক সুমন আলী বলেন,

আগে এই খালগুলো মরা ছিল। এখন পানি থাকায় শুষ্ক মৌসুমেও চাষাবাদ করা যাবে। অনেকে মাছ ধরছেন, বাঁধির মহিলারা হাঁস পালন করছেন।

পোরশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রকিবুল ইসলাম জানান,

নিয়ম অনুযায়ী বরাদ্দের বড় অংশ স্থানীয় অসহায় মানুষদের মজুরি হিসেবে দেওয়া হয়েছে। কড়া তদারকির ফলে নকশা অনুযায়ী কাজ করার পরেও তেরো লাখ টাকা সাশ্রয় হয়েছে। আমাদের এই স্বচ্ছতার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নজরে আসায় তিনি আমাকে ডেকে ব্যক্তিগতভাবে অভিজ্ঞতা শুনেছেন এবং প্রশংসা করেছেন।

মান্দার দুটি প্রকল্পে অর্থ সাশ্রয় কম হওয়ায় কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, সেখানে খননকাজ কিছুটা দাঙ্গসারা হয়েছে। তবে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন,

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সরাসরি তদারকিতে এই কাজগুলো করা হয়েছে। যেখানেই সমস্যা দেখা গেছে, পুনরাবৃত্তি সংস্কার করা হয়েছে। পর্যায়ে পর্যায়ে জেলার সব মৃতপ্রাণ খাল খনন করা হবে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এই পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও বেকারদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রকল্পগুলো হাতে নেওয়া হয়েছে।

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is ১৩ খ ল খনন ব চল ১?

১৩ খ ল খনন ব চল ১ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does ১৩ খ ল খনন ব চল ১ matter?

১৩ খ ল খনন ব চল ১ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.