Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

হৃদয় ভাঙার রাতেও পাশে ডি মারিয়া, পাজের প্রতিজ্ঞা

Published July 21, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Mark Hernandez - banglabeacon.com

Foto : Mark Hernandez - banglabeacon.com

বিশ্বকাপের পতাকা ডিমারিয়ার হাতে ছিল আর্জেন্টিনার জয়ের মহোৎসব

Banglabeacon.com – হ দয় ভ ঙ র র ত - বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচে আর্জেন্টিনা স্পেনের হাতে ১-০ গোলে পরাজিত হয়েছে। এই হারের মুহূর্তে দূর থেকে তাদের বুকে টেনে নিয়েছেন আনহেল ডি মারিয়া, যিনি বিশ্বজয়ের জনক হিসেবে সমর্থকদের কাছে পরিচিত। ডি মারিয়া আগে থেকেই ঘোষণা করেছিলেন যে আলবিসেলেস্তে তার সমর্থন সবসময় ছিল এবং এই কথার মান রেখেছেন তার হৃদয় ভাঙার রাতেও।

এক বিষাদ সিন্ধু আর এক প্রতিজ্ঞা

২০১৪ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত দীর্ঘ দশকে আর্জেন্টিনার ফুটবল ইতিহাসের উত্থান-পতন সাক্ষী ডি মারিয়া। বিশ্বকাপ ও কোপা আমেরিকার দুটি ফাইনালে বিপর্যয় সহ্য করেছেন তিনি, কিন্তু ২০২২ সালে বিশ্বজয় প্রতিষ্ঠা করেছেন তিনি। ডি মারিয়া বলেন, “দেশ তোমাদের নিয়ে গর্বিত। বিশ্বকাপে তোমরা যে ভালোবাসা ও আবেগ দেখিয়েছ সেটা দেশকে আবার ঐক্যবদ্ধ করেছে। তোমরা ইতিহাস গড়েছো, তোমরা কিংবদন্তি এবং তোমাদের কাছ থেকে কেউ কিছু কেড়ে নিতে পারবে না।”

“দেশ তোমাদের নিয়ে গর্বিত। বিশ্বকাপে তোমরা যে ভালোবাসা ও আবেগ দেখিয়েছ সেটা দেশকে আবার ঐক্যবদ্ধ করেছে। তোমরা ইতিহাস গড়েছো, তোমরা কিংবদন্তি এবং তোমাদের কাছ থেকে কেউ কিছু কেড়ে নিতে পারবে না।”

পাশে ডি মারিয়ার ভালোবাসা বহন করে আর্জেন্টিনার সাবেক ফরোয়ার্ড আরও বলেন, “টানা পাঁচটি ফাইনাল আমাদের দেশের ইতিহাসের সেরা জাতীয় দল তোমরাই। সব কিছুর জন্য তোমাদের ধন্যবাদ। তোমাদের সবাইকে আমি ভালোবাসি।”

২১ বছর বয়সী নিকো পাজ বিশ্বকাপ হারের পর আগামীতে ট্রফি ফিরিয়ে আনার প্রতিজ্ঞা দিয়েছেন। তিনি ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে লিখেছেন, “আজ, আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি গর্বিত এই দেশ, এই জাতীয় দলকে প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে ও এমন চমৎকার মানুষদের একটি দলের অংশ হতে পেরে যারা এই পতাকার জন্য জীবন দিতে প্রস্তুত। আমি শুধু তাদের ধন্যবাদই জানাতে পারি।”

ডি মারিয়া এবং পাজের এই আকুতি ও ভবিষ্যৎ প্রতিশ্রুতি দ্বারা নীল-সাদা শিবিরের এই হারের রাতটি কান্নার নয়, বরং আগামীতে বিশ্বজয়ের মঞ্চে ফেরার নতুন লড়াইয়ের গল্প হিসেবে তুলে ধরেছে আর্জেন্টিনার সমর্থকদের হৃদয়। সুখে-দু�