Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

স্মৃতিতে আহমদুল কবির

Published June 17, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Mark Hernandez - banglabeacon.com

Foto : Mark Hernandez - banglabeacon.com

স্মৃতির মুখে আহমদুল কবিরের অবদান

Banglabeacon.com – স ম ত ত আহমদ ল কব - ১৯৫০ সাল থেকে বংশালে অবস্থিত দৈনিক ‘সংবাদ’ অফিস আমাদের দৈনিক জীবনের অপর অংশ হয়ে উঠেছিল। আমাদের বাসা ছিল কিন্তু অফিসের সংগ্রাম ও বাসার প্রতি যে প্রভাব ছিল, তার যে কোন ছাপ নেই। কিছু দিন আমরা বাসা থেকে বের হতে দৈনিক সংবাদ অফিসে যেতাম কারণ সেখানে এক পৃষ্ঠার বাঁ দিকে দৈনিক সংবাদ পড়া ছিল। অফিসের গেটের পাশে সাঁটানো দৈনিক সংবাদ একটি ধরনের দৈনিক যোগাযোগ হয়েছিল কিন্তু সেটি আমাদের দৈনিক যাতায়াতের মাধ্যমে আমাদের প্রতি বিশেষ অবদান রেখেছিল।

রাজনৈতিক জাগরণের সূত্রপাত

১৯৫৩ সালে আমি নবাবপুর সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণির ভর্তি হই। সেই সময় সংবাদ অফিস দেখা ছিল আমার কাছে আশার চিহ্ন বলে। সকালে ঘুম থেকে উঠেই সংবাদ অফিস পড়তে যেতাম কিন্তু আগে কেবল খেলার খবর দেখেছিলাম। ধীরে ধীরে সেই খবর গুলি বদলায় দেশ ও রাজনীতির নতুন দিকনির্দেশনা নিয়ে আমাদের মনে ভাবনা জাগে।

রণেশদা সবসময় কবির ভাইয়ের অসাম্প্রদায়িক দৃষ্টি ও দাঙ্গা প্রতিরোধে তাঁর কথার গভীর ভালোবাসা নিয়ে বলতেন।

১৯৫৪ সালে আহমদুল কবির সংবাদ ব্যবস্থাপনা পরিচালক হন এবং জহুর হোসেন চৌধুরী সম্পাদক হন। সেই সময় তাঁদের সাথে আমার প্রথম মুখোমুখি দেখা হয় ১৯৫৮ সালের নভেম্বর বা ডিসেম্বরে। আনোয়ার জাহিদকে খুঁজতে সংবাদ অফিসে প্রথম যাই। আগে পূর্ব পাকিস্তান যুবলীগের সদস্য ছিলাম কিন্তু সেই সময় সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলনে তার প্রতি আমার সম্পর্ক গভীর হয়ে উঠেছিল।

১৯৬১ সালে ম্যাট্রিক পাস করার পর ঢাকা কলেজে ছাত্র রাজনীতির আগুন জ্বালানো হয়। সারা দেশ উত্তাল ছিল কিন্তু আমরা সংবাদ অফিসের সংবাদ ও ছবি ছাড়া কিছুতে আবার স্থির হয়েছিল। সংবাদ হয়ে উঠেছিল আমাদের জন্য বিরাট অনুপ্রেরণা।

ষাটের দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে আহমদুল কবিরের অবদান আমাদের দৃষ্টিতে আসে। সেই সময় তাঁকে চিনতে পারতাম ন্যাপের নেতা হিসেবে— কৃষক সমিতির কোষাধ্যক্ষ, প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য হিসেবে। স্বাধীন বাংলাদেশে তিনি দুবার সংসদ সদস্য হন।

১৯৬৫ সালের ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার প্রতিরোধে আহমদুল কবিরের তোপখানার অফিস ছিল কেন্দ্র। কমিউন