Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

স্বপ্ন বেচার নামে জর্ডানে মানবপাচার: ট্রাভেল এজেন্সির আড়ালে অন্ধকার চক্রের পর্দাফাঁস | সংবাদ

Published June 16, 2026 · Updated July 21, 2026 · By John Brown - banglabeacon.com

Foto : John Brown - banglabeacon.com

জর্ডানে মানবপাচার: স্বপ্ন বেচার নামে অন্ধকার চক্র পর্দাফাঁস করা হলো

Banglabeacon.com – স বপ ন ব চ র ন - স্বপ্ন বেচার নামে জর্ডানে মানবপাচারের অভিযোগ সংবাদ সংবাদ দ্বারা সামনে এনেছে। বাংলাদেশের বাড্ডার সিআইডি অভিযানে চলছিল এই অন্ধকার চক্রের বিরুদ্ধে তদন্ত। প্রতারকদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে আসামিদের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে।

স্বপ্ন বেচার নামে চলা প্রতারণা চক্র

ট্রাভেল এজেন্সির আড়ালে স্বপ্ন বেচার নামে অভিযুক্তদের সামনে মানুষের বিশ্বাস হারিয়েছিল। এই চক্র বৈধ কোম্পানির নাম দুর্বল করে মানুষ বিশ্বাস করে যে জর্ডানে কর্মী হিসেবে গিয়ে সচ্ছলতা অর্জন করতে পারে। তদন্তে দেখা গেছে যে চক্রটি পাসপোর্ট ও চুক্তিপত্র সংগ্রহের প্রক্রিয়া করছিল।

তদন্ত প্রতিষ্ঠান নিশ্চিত করেছে যে স্বপ্ন বেচার নামে চলা কাজ ছিল নিষ্ক্রিয় প্রতারণা। বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স বা সরকারি অনুমোদন ছাড়া অভিযোগ ছিল পাসপোর্ট ও কাজের প্রলোভন দেখানো। প্রতারক চক্র জর্ডান এবং সৌদি আরবে চোরাচালান চালাচ্ছিল।

স্বপ্ন বেচার নামে চলা এই ঘটনায় বৈধ দুর্বলতা নিয়ে অসংখ্য মানুষ ধোঁকার শিকারি হয়েছিল। অভিযুক্তদের মধ্যে জর্ডানে গৃহীত আসল পাসপোর্ট ও চুক্তি পাওয়া গেছে। যেহেতু তারা বিশ্বাস করেছিল যে স্বপ্ন বেচার নামে কাজ করা সংগঠনগুলি সর্বোচ্চ সুবিধা দিত।

বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে স্বপ্ন বেচার নামে চলা অভিযোগ দাখিল করা হয়েছিল। সিআইডি অভিযানে বাড্ডার সেই তথাকথিত অফিসে গৃহীত আসল পাসপোর্ট সংগ্রহ করেছে। স্বপ্ন বেচার নামে সংঘটিত ঘটনা তদন্ত চলছে।

অপরাধীদের মধ্যে স্বপ্ন বেচার নামে অভিযোগ দাখিল করেছিল যে ছায়াতদন্ত পর্যন্ত তাদের মুক্তি হয়েছে। জর্ডানে স্বপ্ন বেচার নামে পাসপোর্ট সংগ্রহে ব্যবহার করা হয়েছে একটি প্রতারণা মাধ্যম। ছিল শুধুমাত্র সচ্ছলতার স্বপ্ন হারিয়ে মানুষ দিশেহারা হয়েছে।

সিআইডির অভিযানে স্বপ্ন বেচার নামে জর্ডানে পাসপোর্ট সংগ্রহে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ ছিল এই সংগঠন চোরাচালান চালিয়েছে যেখানে স্বপ্ন বেচার নামে চলা কাজ ছিল সামনে আসছে। প্রতিষ্ঠানটি নাম দুর্বল করে মানুষদের কাছ থেকে জনপ্রতি ২ লাখ থেকে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা হারাচ্ছিল।

স্বপ্ন বেচার নামে চলা এই ঘটনার প্রতিষ্ঠানটি জেরাশ গার্মেন্টস এন্ড ফ্যাশন ম্যানুফ্যাকচার কোম্পানি লিমিটেডের নাম ব্যবহার করেছিল। অপরাধীদের মধ্যে মাঞ্জুর প্রধানিয়া, ওসমান গনি এবং কাজী আতা-ই-রাব্বি গ্রেপ্তার হয়েছেন। তদন্ত চলছে অন্যান্যদের চিহ্নিত করার জন্য সিআইডির অভিযান অব্যাহত আছে।