Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

সুন্দরগঞ্জে তিস্তার তান্ডবে এক সপ্তাহে নদীগর্ভে ৫০০ বসতভিটা

Published June 29, 2026 · Updated July 21, 2026 · By John Taylor - banglabeacon.com

Foto : John Taylor - banglabeacon.com

সুন্দরগঞ্জে তিস্তা নদীর ভাঙনে পরিবারগুলো অস্থায়ী জীবন যাচ্ছে

Banglabeacon.com – স ন দরগঞ জ ত স ত - গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় তিস্তা নদী তান্ডবে নিয়েছে ভয়াবহ ভাঙনের ছায়া। গত এক সপ্তাহে বেশি থেকে অনেক বসতভিটা এবং গৃহ স্থাপনার জায়গা নদীতে সরে গেছে। আবাদি জমি এবং রাস্তাঘাটগুলোও সম্পূর্ণ ভাঙনের কবলে। বর্তমানে বিস্তীর্ণ এলাকার ঘরবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ডান তীরের বেড়িবাঁধগুলো আরও গুরুতর ক্ষতির মুখে রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেলকা, হরিপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নগুলো পুরোপুরি ভাঙনের জোরে ধ্বংস হচ্ছে। তারাপুর, দহবন্দ, শান্তিরাম, কঞ্চিবাড়ি, শ্রীপুর ও চণ্ডিপুর ইউনিয়ন এবং পৌরসভার কিছু অংশও নদীর ক্ষমতার মুখে। এখন পর্যন্ত পানির মাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে ভাঙনের শিকার হয়েছে বিভিন্ন স্থান।

ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দারা ক্ষেপণ করছেন

‘দিন-রাত অবিরাম ভাঙনে চোখের পলকে আমাদের শেষ সম্বলটুকু নদী কেড়ে নিয়েছে। এখন পরিবার নিয়ে কোথায় দাঁড়াব, কী খাব—তার কোনো নিশ্চয়তা নেই।’ কাপাসিয়া ইউনিয়নের উত্তর লালচামার এলাকার ভুক্তভোগী আবুল হোসেন ও রবিউল ইসলাম বলেন।

বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো তাদের ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র বা গবাদিপশু সরিয়ে নেওয়ার সময়ও পাচ্ছে না। তাদের শেষ কিছু বিস্তার করে অনেকে খোলা আকাশের নিচে বা অন্যের জমিতে আশ্রয় নিয়ে জীবন যাপন করছেন।

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোতে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ব্যবহার করা হচ্ছে। পরিষ্কার ও স্থায়ী ব্যবস্থা জন্য বরাদ্দ চেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলেই কাজ শুরু হবে।

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইফ্ফাত জাহান তুলি জানান, ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করার জন্য ইউপি চেয়ারম্যানদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে বিশেষ বরাদ্দের চিঠি পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলে দ্রুত সহায়তা বিতরণ করা হবে।