Banglabeacon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

সিলেট-সুনামগঞ্জে পাহাড়ি ঢলে ৫ উপজেলা প্লাবিত, বন্যার আশঙ্কা

Published June 21, 2026 · Updated July 21, 2026 · By John Williams - banglabeacon.com

Foto : John Williams - banglabeacon.com

সিলেট-সুনামগঞ্জে পাহাড়ি ঢলে ৫ উপজেলা প্লাবিত, বন্যার আশঙ্কা

Banglabeacon.com – স ল ট স ন মগঞ জ - ভারতের মেঘালয় জেলায় সাম্প্রতিক বৃষ্টিপাতের ফলে পাহাড়ি ঢল নেমে আসার কারণে সিলেট ও সুনামগঞ্জের সীমান্তবর্তী পাঁচটি উপজেলা প্লাবিত হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী সুনামগঞ্জে তাহিরপুর উপজেলার আনোয়ারপুর এলাকার সড়ক ঢলের জলে তলিয়ে গেছে, যে কারণে তাহিরপুর এবং জেলা সদরের সরাসরি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় দুই জেলায় আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা বর্তমান। সিলেটের গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা এবং সুনামগঞ্জের ছাতক ও দোয়ারাবাজার উপজেলাগুলো বন্যার পরিস্থিতির শিকার হয়েছে। সাদাপাথর পর্যটনকেন্দ্রটি ঢলের জলে আবৃত হয়েছে এবং এ জন্য পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য কেন্দ্রটি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় মেঘালয়ের মাউসিনরামে ৫২৬ মিলিমিটার, মাওকিয়াতে ৩৮৫ মিলিমিটার এবং চেরাপুঞ্জিতে ৩৩২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। সুনামগঞ্জের তাহিরপুর লাউড়েরগড়ে ৮৭ মিলিমিটার এবং সিলেটের জাফলংয়ে ৭৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।

রোববার (২১ জুন) সকালের পূর্বাভাস অনুযায়ী সুরমা নদীর পানি সিলেটের কানাইঘাট, সুনামগঞ্জ সদর ও ছাতক পয়েন্টে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হচ্ছে। কুশিয়ারা নদীর পানি ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে স্থায়ী ভাবে বাড়ছে এবং যেকোনো সময় এসব নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হতে পারে।

গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রতন কুমার অধিকারী বলেন, 'পাহাড়ি ঢল নামার সঙ্গে সঙ্গে জাফলং জিরো পয়েন্টের অস্থায়ী দোকানপাটগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হলেও এখন পর্যন্ত বড় কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি রেখেছি এবং আশ্রয়কেন্দ্রগুলো প্রস্তুত করতে বলা হয়েছে।'

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রবিন মিয়া জানান, পাহাড়ি ঢলে সাদাপাথর এলাকা তলিয়ে গেছে এবং পানির স্রোত অনেক বেশি। পর্যটনকেন্দ্রটি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে যাতে পর্যটকদের নিরাপত্তা বজায় রাখা সম্ভব হয়।

তাহিরপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান মানিক বলেন, 'আনোয়ারপুর এলাকায় রাস্তার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হওয়ায় জেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগ সাম