সিঁড়ি বেয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ে প্রধানমন্ত্রী: আমদানিনির্ভরতা ছেড়ে উৎপাদনের নির্দেশ
সিঁড়ি বেয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ে প্রধানমন্ত্রীর উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ
Banglabeacon.com – স ড় ব য় ক ষ মন্ত্রণালয়ে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের খাদ্যনিরাপত্তা জোরদার এবং কৃষিকে লাভজনক করতে স্থানীয় উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন। দেশে উৎপাদনের সুযোগ আছে এমন কৃষি ও খাদ্যপণ্যে ধীরে ধীরে আমদানিনির্ভরতা কমানোর ওপর তিনি গুরুত্ব দেন।
রবিবার বিকেলে সচিবালয়ে নিজ দপ্তর থেকে লিফট ব্যবহার না করে সিঁড়ি দিয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ে যান প্রধানমন্ত্রী। পরে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে কর্মকর্তাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেন তিনি।
দেশের মানুষের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি কৃষিকে আরও উৎপাদনশীল ও লাভজনক করতে হবে।
গবেষণা, প্রযুক্তি ও সেচে গুরুত্ব
বৈঠকে উৎপাদন বৃদ্ধি, কৃষকের ব্যয় কমানো এবং ফসলের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করার বিষয়ে আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী কৃষি গবেষণা জোরদার, উন্নত জাত উদ্ভাবন, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, সেচসুবিধা সম্প্রসারণ এবং কৃষিযন্ত্র সহজলভ্য করার নির্দেশ দেন।
স ড় ব য় ক ষ সফরের আলোচনায় মাঠপর্যায়ের কৃষকের কাছে দ্রুত ও কম খরচে প্রযুক্তি পৌঁছানোর বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। গবেষণাগারে উদ্ভাবিত ফল কৃষকের হাতে কার্যকরভাবে পৌঁছালেই উৎপাদন বৃদ্ধির সুফল মিলবে বলে মত দেওয়া হয়।
সরিষা ও পেঁয়াজে দেশীয় উৎপাদনের সম্ভাবনা
ভোজ্যতেল আমদানির চাপ কমাতে সরিষার আবাদ বাড়ানোর কার্যক্রমকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ২০২১-২২ অর্থবছরে দেশে সরিষা উৎপাদন ছিল ৮ দশমিক ২৪ লাখ মেট্রিক টন। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তা বেড়ে ১৫ দশমিক ৩৪ লাখ টনে এবং ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ১৫ দশমিক ৪১ লাখ টনে পৌঁছেছে।
পেঁয়াজ সংরক্ষণে এয়ার-ফ্লো প্রযুক্তি ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজের জাত সম্প্রসারণের কথাও জানানো হয়। উন্নত সংরক্ষণব্যবস্থা পণ্য নষ্ট হওয়া কমিয়ে কৃষক ও ভোক্তা উভয়কেই সহায়তা করতে পারে।
লবণাক্ততা, খরা ও জলাবদ্ধতা সহনশীল ফসলের জাত মাঠপর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগ রয়েছে। এ পর্যন্ত বিভিন্ন ফসলের ১ হাজার ৯০টি জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে, যার মধ্যে ধানের জাত ১৫৫টি। এক হাজারের বেশি কৃষিপ্রযুক্তিও উদ্ভাবিত হয়েছে।
যান্ত্রিকীকরণ ও কৃষক সহায়তা
কৃষিশ্রমিকের ব্যয় ও উৎপাদন খরচ কমাতে কম্বাইন হারভেস্টার, রিপার ও রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের মতো যন্ত্র সুলভ দামে কৃষকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগের কথা জানানো হয়। সেচে সৌরশক্তির ব্যবহার বাড়াতে ২ হাজার ৬১৭টি সৌর সেচব্যবস্থা বিস্তারের লক্ষ্যও তুলে ধরা হয়েছে।
২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৪৩ লাখ কৃষককে ‘কৃষক কার্ড’ দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে ১ লাখ ১০ হাজার কার্ড বিতরণের প্রস্তুতি চলছে। সরকারি সহায়তা সরাসরি কৃষকের কাছে পৌঁছাতে এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
স ড় ব য় ক ষ বৈঠকে খাল খনন, বৃক্ষরোপণ, পানি ব্যবস্থাপনা এবং কৃষিপণ্যের বাজারব্যবস্থা উন্নত করার প্রতিও গুরুত্বারোপ করা হয়। কৃষকের ন্যায্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করেই উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
প্রশ্নোত্তর
কেন আমদানিনির্ভরতা কমানোর কথা বলা হয়েছে? দেশে যেসব কৃষি ও খাদ্যপণ্য উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে, সেগুলোর উৎপাদন বাড়িয়ে খাদ্যনিরাপত্তা শক্তিশালী করাই মূল লক্ষ্য।
কৃষকদের জন্য কী সহায়তার কথা বলা হয়েছে? কৃষিযন্ত্র সহজলভ্য করা, সেচসুবিধা বাড়ানো, উন্নত জাত ও প্রযুক্তি ছড়িয়ে দেওয়া এবং কৃষক কার্ডের মাধ্যমে সহায়তা পৌঁছানোর উদ্যোগের কথা জানানো হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি সুজাউদ্দৌলা সুজন মাহমুদ বৈঠক ও নির্দেশনার তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is স ড় ব য় ক ষ মন?স ড় ব য় ক ষ মন is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does স ড় ব য় ক ষ মন matter?স ড় ব য় ক ষ মন matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.